হাওজা নিউজ এজেন্সি: কারযে হাসানা (সুদমুক্ত ঋণ) ইসলামে মানুষের আর্থিক সংকট নিরসন ও পারস্পরিক সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল। তবে এ ক্ষেত্রে রিবা থেকে বেঁচে থাকার জন্য শরয়ি বিধান জানা জরুরি।
প্রশ্ন: আমি আমার জামাতাকে ৫০ মিলিয়ন তুমান ঋণ দিয়েছি। তিনি বলছেন, কৃতজ্ঞতাস্বরূপ মূল ঋণের অতিরিক্ত ৫ মিলিয়ন তুমান আমাকে ফেরত দেবেন। শরিয়তের দৃষ্টিতে এটি কি বৈধ, নাকি রিবা বা সুদ হিসেবে গণ্য হবে?
উত্তর: হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল-মুসলিমীন আলিয়ান-নেজাদ বলেন, ঋণ দেওয়ার সময় যদি অতিরিক্ত অর্থ ফেরত দেওয়ার শর্ত করা হয়, তাহলে তা রিবা বা সুদ এবং তা হারাম। পবিত্র কুরআনের একাধিক আয়াত ও নিষ্পাপ ইমামগণের (আ.) বর্ণনায় এ ধরনের লেনদেনের কঠোর নিন্দা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ঋণ দেওয়ার সময় এমন কোনো শর্ত না থাকলে এবং ঋণগ্রহীতা পরবর্তীতে নিজের ইচ্ছায় কৃতজ্ঞতাস্বরূপ অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করলে তা জায়েজ। বরং এ ধরনের অতিরিক্ত অর্থ প্রদান মুস্তাহাব এবং এর প্রতি উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।
আপনার কমেন্ট