সোমবার ১২ অক্টোবর ২০২৬ - ১৬:৩৮
প্যারিস বিমানবন্দরে ইসরায়েলি কোম্পানির সামরিক চালান আটকে দিলেন কর্মীরা

ফ্রান্সের শার্ল দ্য গোল বিমানবন্দরের কার্গো বিভাগের কর্মীরা ইসরায়েলি অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এলবিট সিস্টেমসের কাছে হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে পাঠানো সামরিক সরঞ্জামের একটি চালান উড়োজাহাজে তুলতে বাধা দিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইত্তেফাক পত্রিকায় প্রকাশিত এ খবর নিয়ে কিছু কথা:

ফ্রান্সের শার্ল্ দ্য গোল বিমান বন্দরের কার্গো খাতের কর্মীদের ধন্যবাদ যে তারা ইতরাইল (ইসরাইল) গামী একটি উড়োজাহাজে ইসরাইলের এল বিট সিস্টেমের কাছে হস্তান্তরের জন্য একটি সামরিক (অস্ত্র নির্মাণের যন্ত্রাংশের) চালান উঠাতে দেয় নি।

ফরাসী বিমান কর্তৃপক্ষ বলেছে যে কোনো ইতরাইল গামী উড়োজাহাজে করে তারা অস্ত্র ও গোলাবারুদের চালান ইতরাইলে পাঠায় নি বা পাঠাচ্ছে না।

কিন্তু ফরাসী বিমান কর্তৃপক্ষ গোঁজামিল দিয়ে বোঝাতে চেয়েছে যে যন্ত্রাংশ ও গোলাবারুদের উপাদান পাঠাতে কোনো আপত্তি নেই।কারণ ওগুলো তো আর অস্ত্র ও গোলাবারুদ নয়!!!! এমন ধরনের গোঁজামিল দেখায় পশ্চিমা দেশগুলোর সরকার ও সংস্থাসমূহ।অতএব উক্ত ফরাসী বিমানবন্দরের কার্গো খাতের কর্মীদের সাবধান থাকতে হবে।

ফ্রান্সের মতো খ্রিষ্টান বিধর্মী দেশের একটি বিমানবন্দরের কার্গো কর্মীরা সামরিক চালান যে আটকে দিল সেটার মতো এমন কাজ ইতরাইলের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রক্ষাকারী তুরস্কের মতো মুসলিম দেশের বিমান বা সামুদ্রিক বন্দরের কর্মী ও কর্মচারীরা কখনো করে দেখিয়েছে?

তারা কি ইতরাইলের উদ্দেশ্যে প্রেরিত মালামাল ও পণ্যসমূহের চালান ঠেকিয়েছে ও আটকে দিয়েছে? ইতরাইলে তুরস্কের অনেক রপ্তানি পণ্য যেমন: রাসায়নিক দ্রব্যাদি ও ইস্পাত সামরিক উদ্দেশ্যে এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদ নির্মাণে ব্যবহৃত হয় সেগুলোর চালান তো তারা (বিমান ও সামুদ্রিক বন্দরের কার্গো খাতের তুর্কী কর্মী ও কর্মচারীরা) তো কখনো ঠেকায় নি ও আটকে দেয় নি!!!!

 তাহলে তুরস্কের মতো মুসলিম নামধারী দেশগুলোর মনুষ্যত্ব ও মুসলমানিত্ব গেল কোথায়? এগুলো (মনুষ্যত্ব ও মুসলমানিত্ব) উবে গেছে কি?

মুহাম্মদ মুনীর হুসাইন খান

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha