বুধবার ২৮ অক্টোবর ২০২৬ - ২০:০৫
কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি নিয়ে আইনি চ্যালেঞ্জে মেটা ও স্ন্যাপ

হাওজা নিউজ এজেন্সি— যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আসক্তিকর নকশা এবং কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে আইনি মামলার মুখে পড়েছে মেটা ও স্ন্যাপ। মামলাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের, বিশেষ করে তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এসব প্ল্যাটফর্মের দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

ফার্স নিউজের বিজ্ঞান ও অগ্রগতি বিভাগ রয়টার্সের বরাতে জানিয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলেসে মামলাটির শুনানিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আসক্তিকর নকশা এবং কিশোর-কিশোরীদের ওপর এর সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব পর্যালোচনা করা হবে। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব প্ল্যাটফর্মের বিভিন্ন ফিচার অল্পবয়সী ব্যবহারকারীদের অতিরিক্ত ও বাধ্যতামূলক ব্যবহারে উৎসাহিত করে, যা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে।

মামলাটিতে দুটি পৃথক অভিযোগ একসঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। শুরুতে টিকটক ও ইউটিউবও এ মামলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর আগেই অভিযোগকারীদের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছায় প্রতিষ্ঠান দুটি। মেটা দুটি অভিযোগের মধ্যে একটির নিষ্পত্তি করলেও অন্যটির মুখোমুখি রয়েছে। স্ন্যাপও মামলাটিতে অভিযুক্ত হিসেবে রয়েছে।

আগামী ৪ নভেম্বর ২০২৬ (১৩ আবান ১৪০৫) থেকে প্রাথমিক শুনানি শুরু হওয়ার কথা। শুনানিতে সাক্ষ্য দিতে পারেন মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ, ইনস্টাগ্রামের প্রধান অ্যাডাম মোসেরি এবং স্ন্যাপের প্রধান নির্বাহী ইভান স্পিগেল।

মেটা তরুণ ব্যবহারকারীদের ক্ষতি করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। অন্যদিকে, স্ন্যাপের দাবি, অভিযোগগুলো মামলাকারীদের অভিজ্ঞতা এবং স্ন্যাপচ্যাটের নকশার প্রকৃত চিত্র যথাযথভাবে তুলে ধরে না।

যুক্তরাষ্ট্রে শিশু-কিশোরদের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব নিয়ে হাজারো অনুরূপ মামলা চলার প্রেক্ষাপটে এ মামলাটি সামনে এসেছে। এর ফলাফল ভবিষ্যতের এ ধরনের মামলার গতিপথ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নকশা পরিবর্তনে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আইনি চাপ বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে।

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha