تیتر سه زیرسرویس
-
শিশুদের স্রষ্টা-পরিচিতি | মৃতদের দেহ কবরে রাখা হয়, তাহলে কেন বলা হয় তারা আল্লাহর কাছে চলে গেছেন?
পৃথিবী ও জীবন সম্পর্কে জানতে গিয়ে শিশুরা প্রায়ই এমন কিছু প্রশ্ন করে, যেগুলোর উত্তর দেওয়ার জন্য প্রয়োজন বিশেষ মনোযোগ ও সংবেদনশীলতা। এ ধরনের পরিস্থিতিতে বাবা-মায়ের উচিত শিশুর বয়স ও বোধগম্যতা অনুযায়ী সহজ, আন্তরিক ও স্পষ্ট ভাষায় উত্তর দেওয়া, যাতে বিষয়টি বোঝার পাশাপাশি তার মনে প্রশান্তি ও আস্থাও তৈরি হয়।
-
পরিবারই শিশুর শিক্ষার প্রথম পাঠশালা; প্রথম ছয় বছর কেন গুরুত্বপূর্ণ?
মানুষের ব্যক্তিত্ব গঠনে যেসব প্রতিষ্ঠান ও উপাদান ভূমিকা রাখে, তার মধ্যে পরিবারের অবস্থান অনন্য। জীবনের প্রথম বছরগুলোতে শিশুর সার্বিক যত্ন নেওয়া ও তাকে সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া শুধু মা-বাবার দায়িত্বই নয়, বরং এটি শিশুর মৌলিক অধিকারও।
-
হিজাব ও শালীনতা পারিবারিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করা এবং সন্তানদের লালন-পালনে সহায়তা করে
হিজাব ও শালীনতা ইসলামী সমাজের মূল কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কারণ, এটি প্রশান্তি, সংস্কৃতি স্থানান্তর এবং নিরাপত্তা অর্জনের পথ।
-
গৃহিণী নাকি কর্মজীবী—নারীর মর্যাদার মাপকাঠি কি পেশা?
গৃহিণী হওয়াকে যেমন দুর্বলতা বা পশ্চাৎপদতা হিসেবে দেখা উচিত নয়, তেমনি কর্মজীবী হওয়াকেও পরিবারের প্রতি অবহেলা কিংবা নৈতিক শ্রেষ্ঠত্বের পরিচায়ক মনে করা উচিত নয়। বরং উভয় শ্রেণির নারীই সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী। তাঁদের পরিস্থিতি, সামর্থ্য ও পছন্দ অনুযায়ী দায়িত্বের ধরন ভিন্ন হতে পারে।
-
জীবনসঙ্গী বারবার নিজের ভালো কাজের কথা বলেন? কথা শোনাচ্ছেন, নাকি স্বীকৃতি চান?
হাওজা নিউজ এজেন্সি— জীবনসঙ্গী পরিবারের জন্য কী করেছেন, কতটা দায়িত্ব নিয়েছেন—এসব কথা বারবার বললে অনেক সময় আমাদের মনে হয়, তিনি বুঝি নিজের উপকারের কথা শোনাচ্ছেন। কিন্তু সব সময় কি বিষয়টি এমন? বিশেষজ্ঞদের মতে, এর আড়ালে থাকতে পারে অন্য এক মানসিক প্রয়োজন—স্বীকৃতি, মনোযোগ ও ভালোবাসা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা।
-
শান্তিপূর্ণ ও আনন্দময় পরিবার গঠনে ৫টি সহজ উপায়
পরিবার ও ধর্মীয় শিক্ষা বিষয়ক বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন তারাশিউন বলেন, একটি পরিবারের শান্তি ও সুস্থতার অন্যতম প্রধান লক্ষণ হলো বাবা-মা ও সন্তানদের মধ্যে উষ্ণ, আন্তরিক ও ভালোবাসাপূর্ণ যোগাযোগ। তিনি পরিবারে আনন্দ ও প্রশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য পাঁচটি সহজ ও কার্যকর উপায় তুলে ধরেছেন।
-
সন্তানকে নামাজে অভ্যস্ত করতে চান? পার্থিব ভোগ-বিলাসের এই ফাঁদ থেকে সতর্ক থাকুন
সন্তানদের নামাজের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে এবং নিয়মিত নামাজ আদায়ে অভ্যস্ত করতে হলে অভিভাবকদের পার্থিব বিষয় ও বস্তুগত ভোগ-বিলাসের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তি থেকে বিরত থাকতে হবে। একই সঙ্গে দুনিয়াবি জীবন ও আখিরাতের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। বস্তুগত আনন্দ-ভোগে অতিরিক্ত ডুবে থাকা নামাজের প্রতি মানুষের আগ্রহ ও নিষ্ঠা দুর্বল করে দিতে পারে। তাই পারিবারিক জীবন এমনভাবে পরিচালনা করা উচিত নয়, যেখানে বস্তুগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যই জীবনের প্রধান লক্ষ্য হয়ে ওঠে।
-
অতিরিক্ত স্বাধীনতাও নয়, অযথা কঠোরতাও নয়; সন্তান প্রতিপালনে প্রয়োজন ভারসাম্য
কোনো ধরনের তদারকি ও দিকনির্দেশনা ছাড়াই শিশুকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে বেড়ে উঠতে দেওয়া সমকালীন সন্তান প্রতিপালন পদ্ধতির অন্যতম গুরুতর সমস্যা। জীবনের সঠিক পথ বুঝতে ও অনুসরণ করতে শিশুর বাবা-মায়ের দিকনির্দেশনা, শিক্ষা এবং সক্রিয় উপস্থিতি প্রয়োজন। ‘শহীদ রাহাবারের চিন্তাধারায় শিশুর প্রতিপালন’ বইটিতে সন্তান প্রতিপালনে বাবা-মায়ের সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
-
পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণ তাওহিদের পথে দায়িত্ব পালনের অংশ
পবিত্র কোরআনে বর্ণিত আল্লাহর সঙ্গে মানুষের অঙ্গীকারের বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করে হুজ্জাতুল ইসলাম আলী আসবাক-তাবার পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণকে ইসলামী নৈতিকতার অন্যতম মৌলিক ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, কোরআনের এই নির্দেশনা তাওহিদের পথে একটি দায়িত্ব পালন এবং সামাজিক সংহতি বজায় রাখার অন্যতম ভিত্তি।
-
শিশুর প্রশ্নপ্রবণতা থেকে স্বাধীন চিন্তা: ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ধর্মীয় ও সামাজিক শিক্ষার মৌলিক ভিত্তি
শিশুর লালন-পালন ও চরিত্রগঠন কোনো একমুখী বিষয় নয়। এটি শুধু পড়াশোনায় ভালো ফল করা বা কিছু দক্ষতা শেখানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। একটি শিশুর সুন্দর ও দৃঢ় ব্যক্তিত্ব গড়ে ওঠে তখনই, যখন তার চিন্তা, অনুভূতি ও আচরণ—এই তিনটি দিক একসঙ্গে বিকশিত হয়। ‘শহীদের চিন্তাধারায় শিশুর লালন-পালন’ গ্রন্থে শিশুর সার্বিক বিকাশের এমনই একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।