হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, শবেবরাত উপলক্ষে স্থানীয় মসজিদে দিনব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়। বিকেল ২টা থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে কুইজ প্রতিযোগিতা, যেখানে বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। কুইজ প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ইসলামিক বিষয়ের ওপর প্রশ্ন করা হয়, যা শিশু-কিশোরদের মধ্যে ধর্মীয় জ্ঞানচর্চা উৎসাহিত করে।
সন্ধ্যার পর স্থানীয় মসজিদ থেকে একটি জুলুস বের করা হয়, যা কারবেলা পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয়। ধর্মীয় অনুভূতিতে ভাসিয়ে নেওয়া এই জুলুসে শিশু, কিশোর, যুবক ও বয়োজ্যেষ্ঠরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
সন্ধ্যার পর কবিতা, গজল ও মাহফিল
সন্ধ্যার নামাজের পরপরই ছোট ছোট শিশুদের জন্য আয়োজন করা হয় কবিতা আবৃত্তি, গজল ও সূরা পাঠের আসর। শিশুদের কণ্ঠে হৃদয়গ্রাহী পরিবেশনা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে।
এরপর বড়দের জন্য বিশেষ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা জামশেদ আলী ও হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা আবেদ আলী সাহাজি, যারা ধর্মীয় আলোচনা উপস্থাপন করেন। এছাড়াও হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা হায়দার আলী সাহেব (পেশ ইমাম নারিকেল বেড়িয়া মসজিদ) নিজেও বক্তব্য প্রদান করেন এবং একটি কবিতা পরিবেশন করেন। মাহফিলে আরও অনেক বিশিষ্ট কবি উপস্থিত ছিলেন, যারা তাদের সুললিত কণ্ঠে ইসলামিক কবিতা আবৃত্তি করেন।
পুরস্কার বিতরণ ও তাবারুকের ব্যবস্থা
মাহফিলের শেষ পর্যায়ে কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা ভালো ফল করেছেন, তাদের হাতে আকর্ষণীয় উপহার তুলে দেওয়া হয়। এরপর উপস্থিত মুসল্লিদের জন্য তাবারুকের ব্যবস্থা করা হয়, যা সবাই আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করেন।
সারা দিনের এই আয়োজন ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মনে আনন্দ ও শান্তির সঞ্চার করেছে। শবেবরাতের পবিত্রতা ও তাৎপর্য উপলব্ধি করতে এই মাহফিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
আপনার কমেন্ট