হাওজা নিউজ এজেন্সি: লেবাননের হিজবুল্লাহর সাবেক নেতা সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ এবং তার ডেপুটি ও মনোনীত উত্তরসূরি সাইয়্যেদ হাশেম সাফি উদ্দিনের জানাজা অনুষ্ঠানের ঠিক পরের দিন এই বিবৃতি দেওয়া হল। প্রেস টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈরুতে অনুষ্ঠিত এই জানাজায় লেবাননের বিভিন্ন অঞ্চল এবং বিশ্বজুড়ে বিপুল সংখ্যক মানুষ এই দুই প্রতিরোধ নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সমবেত হয়েছিল।
সোমবার এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, ইসরায়েলি রেজিমের যুদ্ধবিমানের হুমকির মধ্যেও এই জানাজা “ইহুদিবাদ-বিরোধী প্রতিরোধের বৈশ্বিক অনুরণন ও প্রতিধ্বনি”তে পরিণত হয়েছে।
আইআরজিসি’র বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “মুসলিম বিশ্ব ব্যাপী এবং বৈরুতে এই মহান ঐতিহাসিক ঘটনা প্রমাণ করেছে হিজবুল্লাহ- লেবাননের বীরত্বপূর্ণ ও বিজয়ী প্রতিরোধ এবং ইসলামী উম্মাহ আল-কুদস এবং ইসলামী ভূমির দখলদারিত্বের অবসানের জন্য প্রাণবন্ততা, শক্তি ও দৃঢ়সংকল্প নিয়ে এগিয়ে চলেছে।”
বিবৃতিতে বৈরুতে হিজবুল্লাহর এই দুই আইকনের “গৌরবময় ও মহাকাব্যিক” শোভাযাত্রাকে হিজবুল্লাহর প্রাণবন্ততা এবং ইসলামী উম্মাহর ইহুদিবাদ-বিরোধী প্রতিরোধের মতাদর্শের প্রকাশ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বিশেস জোর দিয়ে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের অপমানজনক ও হুমকিপূর্ণ কর্মকাণ্ডের মধ্যেও লক্ষ লক্ষ আগ্রহী শুভাকাঙ্ক্ষীদের অংশগ্রহণে এই অনুষ্ঠান ইসলামের শক্তি এবং লেবাননের ব্যাপক জাতীয় ঐক্যের পাশাপাশি ইহুদিবাদ-বিরোধী প্রতিরোধের বিশ্বায়নের প্রকাশ হয়ে উঠেছে, যা শত্রুদের ইচ্ছা ও মন্দ কামনার বিপরীত।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ধর্ম, জাতিগত ও রাজনৈতিক দলের বিপুল সংখ্যক শোককারী প্রতিরোধের শহীদদের প্রতি তাদের আনুগত্য প্রকাশ করেছেন এবং প্রতিরোধ অক্ষের শত্রুদেরকে জোরালো জবাব দিয়েছেন।
আইআরজিসি “অপরাধী, শিশু হত্যাকারী, বর্ণবাদী ও সন্ত্রাসী ইহুদিবাদী রেজিমের নেতাদের” সতর্ক করে বলেছে, “তাদের জন্য অপেক্ষমান অনিবার্য ও কঠিন ভাগ্য থেকে তাদের কোনো মুক্তি নেই।”
আপনার কমেন্ট