হাওজা নিউজ এজেন্সি: টেলিভিশন প্রোডাকশন বিষয়ে তাঁর মূল বক্তব্য নিম্নরূপ:
দর্শকপ্রিয়তা বনাম নৈতিক দায়িত্ব:
রমজান ও নওরোজে প্রচারিত অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে 'পয়তাখ্ত' (রাজধানী) সিরিজ সর্বাধিক দর্শক আকর্ষণ করেছে। তবে তিনি সতর্ক করেন, “টেলিভিশনে হাসির অজুহাতে অশালীন ভাষা বা আচরণ প্রদর্শন অনৈতিক। এই প্রবণতা সিনেমায় ব্যাপক, আর 'পায়তাখ্ত' এর কিছু দৃশ্যেও এটি লক্ষ্যনীয়।”
ধর্মীয় প্রোডাকশনের মানদণ্ড:
তিনি উল্লেখ করেন, “রমজানের অনুষ্ঠানে ধর্মীয় বিষয়বস্তু সুচারুভাবে উপস্থাপন জরুরি। 'আগমা' (কোমাক) বা 'কোমাকাম কুন' (আমাকে সাহায্য করুন) এর মতো সিরিজে নৈতিক বার্তার পাশাপাশি বিনোদন যুক্ত করা হয়েছে। এই সমন্বয় সকল রমজান প্রোডাকশনে থাকা উচিত।”
কমেডির সফলতার শর্ত:
পরিবারবান্ধব কন্টেন্ট: তাওয়াক্কুলির মতে, ”কমেডি গুরুত্বপূর্ণ, তবে তা হতে হবে পরিবারের সঙ্গে দেখার উপযোগী। নেতিবাচক বার্তা এড়িয়ে চলতে হবে। 'মাহফিল' এর মতো টিভি শো ধর্মীয় নৈতিকতা প্রচারে সক্ষম।”
চিত্রনাট্যের ভূমিকা: তিনি জোর দিয়ে বলেন, “সফল কমেডির মূল চাবিকাঠি হলো শক্তিশালী স্ক্রিপ্ট। বিনোদনের পাশাপাশি গল্পে নৈতিক মূল্যবোধের প্রতিফলন জরুরি।”
প্রশংসনীয় উদাহরণ: মোহাম্মদ রেজা গোলজার উপস্থাপিত একটি টিভি শোয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই শোটি বিনোদনের মোড়কে শিক্ষণীয় বিষয় উপস্থাপন করে, যা অনুকরণীয়। অন্যান্য প্রোডাকশনেও এই মডেল করা উচিত।”
শেষ কথা: তাওয়াক্কুলি সম্মিলিত প্রচেষ্টার উপর জোর দিয়ে বলেন, ধর্মীয় শিক্ষা ও বিনোদনের সমন্বয়ে গুণগত প্রোডাকশন তৈরিতে নির্মাতা, লেখক ও সম্প্রচারকদের একযোগে কাজ করতে হবে। নৈতিক দায়িত্বশীলতা বজায় রেখেই দর্শক আকর্ষণ সম্ভব।”
আপনার কমেন্ট