হাওজা নিউজ এজেন্সি: শনিবার বাগদাদে ইরাক আন্তর্জাতিক কুরআন তেলাওয়াত ও হিফজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধনকালে সুদানি বলেন, আরব ও মুসলিম দেশগুলো নানান বিপদ ও ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হচ্ছে, যার লক্ষ্য তাদের অস্তিত্ব, পরিচয় এবং বিশ্বাসকে ক্ষুণ্ন করা।”
“আমরা গাজা ও লেবাননে নৃশংসতা ও গণহত্যা, সিরিয়ার উপর বারংবার আগ্রাসন এবং প্রতিবেশী ইরানের জন্য হুমকি প্রত্যক্ষ করেছি,” তিনি সতর্ক করে বলেন।
উল্লেখ্য যে, আমেরিকা ও পশ্চিমাদের দেয়া অবৈধ ও অমানবিক অবরোধের ফলে ইরানের অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও অসন্তোষ নিয়ে ব্যবসায়ী ও বনিকরা ১লা জানুয়ারি থেকে দেশে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ শুরু করে, কিন্তু এক সপ্তাহ পর এই শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ বিদেশীদের— বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইহুদিবাদী সরকারের প্রকাশ্য হস্তক্ষেপ ও সমর্থনে তা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে পরিণত হয়।
মোসাদ ও সিআই এজেন্টরা এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে নৈরাজ্য ও ধ্বংসাত্মক রুপ দিয়ে ব্যাপক ভাংচুর, মসজিদ-মাদ্রাসায় আগুন, কুরআন জ্বালিয়ে দেয়া, ব্যক্তিগত ও সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসসহ নানা ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম পরিচালনা করে।
তবে, আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী ও সরকারের সমর্থনে দেশটির বিভিন্ন শহরে মিলিয়ন মিলিয়ন সচেতন ও প্রজ্ঞাবান জনগণ বেড়িয়ে আসলে দ্রুতই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে এবং শত্রুরা আবারও পরাজিত হয়।
আপনার কমেন্ট