হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, শেখ তুসী বলেন এটা একটা মামুলী এবং সাধারণ ব্যাপার। এই ঘটনা প্রথম এবং শেষ নয় মানব জীবনের দীর্ঘ ইতিহাসে এর অনেক নমুনা রয়েছে। যেমন হযরত ইব্রাহীম (আ.) এর জন্ম নমরুদের চোখের অন্তরালে, হযরত মুসা (আ.) এর জন্ম ফেরাউনের চোখের আড়ালে, হযরত ঈসা (আ.) এর জীবিত থাকা। (শেখ তুসি , কিতাবুল গেইবাত, পৃ. ২৩৭।)
যখন ইমাম মাহদী (আ.) এর ভুমিষ্ঠ হবার সংবাদ তার পিতা ইমাম হাসান আসকারীর নিকট পৌছাল তিনি অত্যান্ত খুশী হলেন শুধু তিনিই নয় এ ধরনী যেন আনন্দে মেতে উঠল। আসকারী (আ.) নবজাতককে কোলে নিলেন এবং তার ডানকানে আজান ও বাম কানে এক্বামত দিলেন। সর্বপ্রথমে যে ধ্বনী নবজাতকের কানে পৌছল তা “আল্লাহু আকবার” ও “লা ইলাহা ইল্লাললাহু ছিল” । এই ভাবে বান্দাদের জন্য আল্লাহর ওলী তৎকালীন জালেম শাসকের প্রতিবন্ধকতা সত্বেও, যারা তাকে পেলে হত্যা করতো, জন্মগ্রহন করলেন।
হাকিমা ইমাম আসকারী (আ.) এর ফুফু তাকে কোলে তুলে নিলেন এবং চুমু দিলেন তিনি বলেন আমি তার থেকে এমন এক সুগন্ধ পাচ্ছিলাম যা আগে কখোন অনুভব করিনি। ইমাম আসকারী (আ.) পুণরায় তাকে হাকিমার কোল থেকে নিলেন। এবং বললেন তোমাকে এমন এক জনার আশ্রয়ে রাখবো যার আশ্রয়ে হযরত মুসা (আ.) এর মাতাও তার সন্তানকে রেখেছিলেন। তুমি সর্বক্ষণ আল্লাহর হেফাজতে থেকো। অতপর হাকিমাকে উদ্দেশ্য করে বললেন : “এই ফুফু তাকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দাও এবং এই নবজাতকের সংবাদ কাউকে দিওনা গোপন রাখ যতক্ষন না উপযুক্ত সময় আসে”। (বিহারুল আনওয়ার, ১৩তম খণ্ড, পৃ.৭।)
আপনার কমেন্ট