হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের বিপ্লবী নেতার বাণীতে সাড়া দিয়ে একদল আলেম, চিন্তাবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ভিডিও বার্তা প্রকাশের মাধ্যমে ইসলামি বিপ্লবের ২২ বাহমানের গুরুত্ব ও কৌশলগত অবস্থানের ওপর জোর দিয়েছেন।
এই বার্তাগুলোয় সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ২২ বাহমান কেবল ইরানী জাতির নয়; বরং তা সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য একটি ঐতিহাসিক ও অনুপ্রেরণাদায়ক দিন। তাদের বিশ্বাস, ২২ বাহমান বিশ্ব অহংকারী শক্তির ধারার বিরুদ্ধে মুসলিম উম্মাহর সংগ্রাম, সংকল্প ও অবিচলতার প্রতীক।
তারা জোর দিয়ে বলেন, ইরানের ইসলামি বিপ্লবের ২২ বাহমান মুসলিম উম্মাহ ও বিশ্বের সকল মুক্তিকামী মানুষের জন্য একটি বিরাট শিক্ষা। এটি সেই শিক্ষা, যা দেখিয়ে দেয় যে, কেবল সংগ্রাম ও প্রতিরোধের মাধ্যমেই আজকের নোংরা ও আধিপত্যবাদী বিশ্বে ইসলামের আসল পরিচয় এবং মহান ইসলামের সম্মান ও মর্যাদা সংরক্ষণ ও রক্ষা করা সম্ভব এবং বিশ্ববাসীর কাছে তা তুলে ধরা সম্ভব।
এই আলেম ও বিশিষ্টজনরা ইরানের ইসলামি বিপ্লবকে সফল প্রতিরোধের একটি জীবন্ত মডেল হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং ২২ বাহমানকে ইসলামি জাগরণের ইতিহাসে একটি মাইলফলক ও ইসলামি বিশ্বের মুক্তিকামী আন্দোলনগুলোর জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তালিকা:
শেখ খালেদ আল-মাল্লা, ইরাকের আহলে সুন্নাত আলেম সমিতির সভাপতি
শেখ গাজি হানিনা, লেবাননের মুসলিম আলেমদের সমাবেশের বোর্ড অব ট্রাস্টির প্রধান
শেখ হুসাইন কাসেম, ফিলিস্তিনের আলেম পরিষদের সভাপতি
সৈয়দ আদনান আল-জুনাইদ, ইয়েমেনের সুফিবাদী নেতা
শেখ হাসান আল-বাগদাদি, লেবাননের হিজবুল্লাহর কেন্দ্রীয় পরিষদের সদস্য
মাওলানা হাবিবুল্লাহ হিসাম, আফগানিস্তানের ইসলামিক ব্রাদারহুড কাউন্সিলের প্রধান
শেখ বিলাল শাবান, লেবাননের হারাকাত আত-তাওহিদ আল-ইসলামি (ইসলামি একতা আন্দোলন)-এর প্রধান
শেখ তালাল আবদুর রহমান, ফিলিস্তিনী মুক্তিযোদ্ধা ও হামাসের ফিলিস্তিনী বন্দী বিষয়ক দায়িত্বশীল
শেখ ইউসুফ মিশলাওয়ি, ফিলিস্তিনের তাইয়ার আল-মুকাওয়ামা (প্রতিরোধ ধারা)-এর প্রধান
ড. ইয়াহিয়া আবু জাকারিয়া, আলজেরিয়ার সিনিয়র আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ
মিসেস আলিয়া আল-ইয়াসির, ইরাকের মিডিয়া কর্মী
শেখ সৈয়দ বাহাউদ্দিন নকশবন্দি, ইরান ও ইরাকের কুর্দিস্তানের নকশবন্দিয়া তরিকার পীর
শেখ আবদুল্লাহ আদ-দাক্কাক, বাহরাইনের হাওজা পরিচালক
আপনার কমেন্ট