হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের বিভিন্ন দেশের সাংস্কৃতিক কাউন্সেলরদের যৌথ উদ্যোগে এবারের ঈদ-ই গাদির উৎসব প্রমাণ করেছে, ইসলামের এই মহান অনুষ্ঠান কেবল একটি ধর্মীয় আচারানুষ্ঠান নয়; বরং এটি মুসলিম উম্মাহকে একসূত্রে গাঁথার এক শক্তিশালী মাধ্যম। ‘আলি’ নামের চারপাশে গড়ে ওঠা এই আন্তর্জাতিক ঐক্যের ফলে যেন সীমান্তের বেড়াজাল সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে।
সংস্কৃতি ও ইসলামি সম্পর্ক সংস্থার জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, গাদিরের উৎসব—যা ইমাম আলি (আ.)-এর নেতৃত্ব ও অভিভাবকত্বের প্রতীক—বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় প্রেক্ষাপট, শিয়া জনসংখ্যার পরিমাণ এবং স্থানীয় সংস্কৃতির ভিত্তিতে যেমন ভিন্ন আঙ্গিকে ফুটে উঠেছে, তেমনি এ বছর ইরানের সাংস্কৃতিক কাউন্সেলরদের প্রচেষ্টায় বিশ্বব্যাপী ‘ঈদ-ই গাদির’ আরেক রকম মাত্রা পেয়েছে। মুসলিম জাতিগুলোর মধ্যে দূরত্ব দূরীভূত হয়েছে বলেই মনে হয়েছে সবাইকে।
বিভিন্ন মহাদেশের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাদিরের দিনটি উপলক্ষে পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ, ইরাক, লেবানন, তুরস্ক, আজারবাইজান, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াসহ একাধিক দেশে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, সেমিনার, কবিতা পাঠ এবং খাবার বিতরণের আয়োজন করা হয়। সর্বত্রই ইমাম আলির (আ.) আদর্শ ও ন্যায়ের বাণী উচ্চারিত হয়েছে।
এই বৈশ্বিক আয়োজন পরিষ্কার ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ঈদ-ই গাদির ধীরে ধীরে শুধু শিয়া-সুন্নি সবাইকে কিংবা শুধু মুসলিম বিশ্বকেই নয়—বরং মানবতার সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হচ্ছে।
আপনার কমেন্ট