হাওজা নিউজ এজেন্সি: সোমবার প্রকাশিত এক বক্তব্যে গরিবাবাদি বলেন, মধ্যস্থতাকারীর উদ্যোগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা শুরু হয় এবং আলোচনার একপর্যায়ে মার্কিন প্রতিনিধিদল একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করে, যাতে অতিরিক্ত দাবি অন্তর্ভুক্ত ছিল। ইরানি প্রতিনিধিদল স্পষ্টভাবে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র জানিয়ে দেয় যে প্রস্তাবটি গ্রহণ না করলে আলোচনা ব্যর্থ বলে বিবেচিত হবে এবং তারা আলোচনা ত্যাগ করবে। শেষ পর্যন্ত সেটিই ঘটে এবং মার্কিন প্রতিনিধিদল আলোচনাস্থল ত্যাগ করে।
গরিবাবাদির ভাষ্য, আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য ইরানি প্রতিনিধিদল কোনো ধরনের অনুরোধ বা চাপ সৃষ্টি করেনি। তিনি দাবি করেন, এটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের ‘মর্যাদাপূর্ণ কূটনীতির’ একটি উদাহরণ।
হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের’ পর ইরান পুনরায় হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এর দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় পরে ওমানে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
তার দাবি, আলোচনায় অপর পক্ষ জোর দিয়ে বলেছিল যে জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া দক্ষিণাঞ্চলীয় নৌপথটি ইরান-ওমান আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত খোলা রাখা হোক এবং পরে তা বন্ধ করা হবে। তবে ইরানি প্রতিনিধিদল সেই প্রস্তাবও গ্রহণ করেনি।
গরিবাবাদি বলেন, ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে আলোচনার ফলাফল যাই হোক না কেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই দেশটির নীতিগত অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে এবং এ ধরনের কোনো প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে না। এরপরও হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ এবং কঠোর নৌ অবরোধ কার্যকর রাখার নীতি অব্যাহত রয়েছে, যা তার মতে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের ‘মর্যাদাপূর্ণ কূটনীতির’ আরেকটি উদাহরণ।
আপনার কমেন্ট