হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, আসমা নাদিয়ার আসল নাম আসমারানি রোজালবা। তিনি একজন ইন্দোনেশীয় লেখক, ব্লগার, প্রকাশক, গীতিকার, ক্রিয়েটিভ কনসালট্যান্ট ও প্রযোজক। তিনি ‘পেন সার্কেল’ এবং ‘কমিউনিটি ক্যান রাইট’ নামের দুটি সংগঠনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত।
নাদিয়া জীবনযাপনের মূল্যবোধ, পরিবার, নারী এবং ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গিকে কেন্দ্র করে বহু রচনা ও সৃজনশীল কাজ তৈরি করেছেন। তাঁর বেশ কিছু রচনা চলচ্চিত্রেও রূপান্তরিত হয়েছে।
সাহিত্যচর্চা এবং বই ও লেখালেখির প্রসারে তাঁর ব্যাপক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি ইন্দোনেশিয়া ও অন্যান্য দেশের বিভিন্ন সভা-সমাবেশে বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন।
তিনি এ পর্যন্ত ৫৭০টিরও বেশি শহর ভ্রমণ করেছেন এবং লেখালেখি, ইসলাম, প্রকাশনা, সন্তান প্রতিপালন ও হালাল পর্যটনসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন।
সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সৃষ্টিশীল কাজ করা, সমাজকে অনুপ্রাণিত করা এবং ইতিবাচক প্রভাব তৈরিতে তাঁর কার্যক্রম ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
Hijab Influencer Award 2026-এর আওতায় ইন্দোনেশিয়ার এই পরিচিত লেখক, প্রকাশক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বকে নারী, হিজাব ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে একজন বিশিষ্ট ও অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
এর আগেও ২০২৪ সালে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, সামাজিক অনুপ্রেরণা এবং তাঁর সাহিত্যকর্মের ইতিবাচক প্রভাবের স্বীকৃতিস্বরূপ এই ইন্দোনেশীয় লেখককে Women Inspirational Award 2024 প্রদান করা হয়েছিল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইন্দোনেশিয়ার এই সুপরিচিত ব্লগার সম্প্রতি জাকার্তায় অবস্থিত ইরানি সাংস্কৃতিক কাউন্সেলরের সমন্বয়ে শহীদ নেতার জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান এবং এ বছরের আরবাঈন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে তেহরানে উপস্থিত হয়েছিলেন। সেখানে তিনি প্রভাবশালী বিভিন্ন কনটেন্ট তৈরি করেন। এর মাধ্যমে তিনি এক অর্থে ইরান ও ইন্দোনেশিয়া এবং শিয়া ও সুন্নিদের মধ্যে একটি সাংস্কৃতিক সেতু হিসেবে ভূমিকা পালন করেন।
আপনার কমেন্ট