হাওজা নিউজ এজেন্সি: তিনি বলেন, “যে বাবা সন্তানের জীবনে প্রথম ও সবচেয়ে কাছের বন্ধু হয়ে উঠতে পারেন না, তিনি প্রকৃত অর্থেই সন্তানকে নিজের কাছ থেকে হারিয়ে ফেলেন।”
সন্তানের সঙ্গে খেলাধুলা করলে তার সঙ্গে আন্তরিকতা তৈরি হয়। আর এই আন্তরিকতা থেকেই জন্ম নেয় আস্থা। সন্তান যখন বাবা-মায়ের প্রতি আস্থাশীল হয়, তখন সে নিজের প্রশ্ন ও ভাবনা তাদের সঙ্গে শেয়ার করে এবং তাদের কাছ থেকে পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা গ্রহণ করে।
তখন সন্তানকে জোর করে অনুসরণ করাতে হয় না; বরং সে স্বতঃস্ফূর্তভাবেই বাবা-মায়ের সঙ্গে চলতে চায়।
এ প্রসঙ্গে আয়াতুল্লাহ হায়েরি শিরাজী (রহ.) বলেন,
“তুমি যদি চাও, সন্তান তোমার সঙ্গে চলুক, তাহলে তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে টেনে নেওয়া যাবে না; বরং ভালোবাসাই হলো সেই শিকল, যা তাকে তোমার সঙ্গে বেঁধে রাখবে।”
অর্থাৎ, সন্তানের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে কঠোরতা বা জবরদস্তির পরিবর্তে ভালোবাসা, বন্ধুত্ব ও আস্থার পরিবেশ তৈরি করাই অধিক কার্যকর।
সূত্র: ইরানের সন্তান প্রতিপালন বিষয়ক জনপ্রিয় বই— ‘রাহে রোশদ’ (বিকাশের পথ), খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৩২।
আপনার কমেন্ট