হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ভ্যাটিকানের পক্ষ থেকে ধর্মীয় প্রচারক হিসেবে তুর্কমেনিস্তানের একটি গির্জায় পাঠানো মাদজ ত্রিশ বছর দায়িত্ব পালনের পর তাঁর মিশন শেষ হওয়ার সময় বলেন:
আমি চেষ্টা করেছি সেখানকার মানুষের-তারা খ্রিস্টান হোক কিংবা মুসলমান-সুখ-দুঃখে অংশীদার হতে। এমনকি আমাকে বিয়ে ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার অনুষ্ঠানেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
মুসলমানদের নৈতিক ও সামাজিক চরিত্রের প্রশংসা করে তিনি বলেন, মুসলমানদের মাঝে আমার উপস্থিতির অভিজ্ঞতার কথা বলতে পেরে আমি আনন্দিত।
বছরের পর বছর ধরে আমি এই বিশ্বাসে উপনীত হয়েছি যে, পারস্পরিক সম্মানই খ্রিস্টানদের মুসলমানদের মাঝে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস এবং পারস্পরিক শান্তি ও সৌহার্দ্যের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করে।
তিনি আরও বলেন, ইসলাম ও খ্রিস্টধর্মের সংস্কৃতির মধ্যে অনেক ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। এখন আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, ধর্মগুলোর মধ্যে গঠনমূলক সম্পর্ক কোনো বড় ঘোষণা বা জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় না; বরং সাধারণ মানুষের পারস্পরিক স্বাভাবিক সংলাপের মাধ্যমেই তা গড়ে ওঠে।
তুর্কমেনিস্তানের খ্রিস্টানরা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ ও মর্যাদাশীল মুসলিম জনগোষ্ঠীর সঙ্গে শান্তি ও বন্ধুত্বের পরিবেশে বসবাস করে আসছে।
সূত্র: ভ্যাটিকান নিউজ এজেন্সি
আপনার কমেন্ট