হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, এটাই হচ্ছে ইউরোপ ও পশ্চিমাদের অর্থাৎ পাশ্চাত্যের আসল বৈশিষ্ট্য, স্বরূপ ও চেহারা।
অবৈধ যৌনতা এদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গেছে। আর নি:সন্দেহে পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে অবৈধ যৌনতার প্রসার ও সয়লাব হয়েছে এবং হচ্ছে ইউরোপীয় ও পশ্চিমা সমাজে।
ইউক্রেন যুদ্ধের খরচ মেটাতে পর্নোগ্রাফিকে বৈধ করছে যা ধর্ম, বুদ্ধিবৃত্তি,বিবেক ও নীতি নৈতিকতার দৃষ্টিতে হারাম ও অবৈধ।
কিন্তু বস্তু গত লাভ ক্ষতির ভিত্তিতে পশ্চিমারা ইউরোপীয়রা (পাশ্চাত্য) বৈধ ও অবৈধ (হালাল ও হারাম) নির্ধারণ করে যা ধর্ম, নীতি নৈতিকতা, বিবেক, বুদ্ধিবৃত্তি এবং বিশ্বের জ্ঞানীবিবেকবানদের (উকালাউল আলম عقلاء العالم) দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ অবৈধ ও অনুচিত।এরা (পশ্চিমারা/পাশ্চাত্য) গায়ের জোরে ও বাহুবলে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ভাবে নিজেদের হীন নীচ অবৈধ স্বার্থ চারিতার্থ করার জন্য হালাল-হারাম (حلال و حرام বৈধ-অবৈধ) নির্ধারণ করে।
যুদ্ধের খরচ মেটাতে পর্নোগ্রাফি বৈধ করছে ইউক্রেন
তাই ইসলাম, নীতি-নৈতিকতা, বিবেক ও যুক্তি-বুদ্ধির আলোকে পশ্চিমাদের (ইউরোপীয়দের /পাশ্চাত্যের) এ সব কাজ খুবই কুৎসিত (قبیح ক্বাবীহ্) ও নিতান্তই মন্দ (شر), অশোভন এবং এ কারণে এ সব কার্যকলাপ মোটেও সমর্থনযোগ্য ও প্রশংসনীয় নয়।
আসলেই ইউরোপীয়রা পশ্চিমারা (পাশ্চাত্য) মাল'ঊন্ (ملعون অভিশপ্ত)। এদের কোনো মনুষ্যত্ব বোধ (ইনসানিয়াত), ইনসাফ ও আত্মসম্মানবোধ (গাইরত) নেই।
ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক মুহাম্মদ মুনীর হুসাইন খান
আপনার কমেন্ট