হাওজা নিউজ এজেন্সি: ‘আল-মা‘লুমাহ’-এর সঙ্গে আলাপকালে ওই নিরাপত্তা সূত্র জানায়, মার্কিন বাহিনীর প্রত্যাহার একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। এর অংশ হিসেবে ‘নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা তৎপরতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাহিনী’কে প্রত্যাহার-প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা হয়েছে বলে দাবি করে সূত্রটি।
সূত্রটির ভাষ্য, হারির সামরিক ঘাঁটি ও ইরবিলে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেট থেকে মার্কিন বাহিনী তাদের সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নেয়নি। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে বিভিন্ন অজুহাত বা কারণ দেখিয়ে মার্কিন বাহিনীর ইরাকে ফিরে এসে পুনরায় মোতায়েনের সুযোগ রাখা হয়েছে বলেও দাবি করে সূত্রটি।
ওই নিরাপত্তা সূত্র আরও দাবি করে, উন্নত সামরিক সরঞ্জামে সজ্জিত একটি বড় মার্কিন বাহিনীকে প্রত্যাহারের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। তাদের সহায়তায় একদল যুদ্ধবিমানও রয়েছে বলে দাবি করা হয়।
সূত্রটি জানায়, হারির সামরিক ঘাঁটিতে বিপুলসংখ্যক মার্কিন ভারী পরিবহন বিমান ওঠানামা করেছে। এসব বিমান চলাচলের উদ্দেশ্য বা বিস্তারিত বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। একই সময়ে ব্যাপকসংখ্যক যুদ্ধবিমান ও ড্রোনের উড্ডয়নও হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
নিরাপত্তা সূত্রটির আরও দাবি, মার্কিন বাহিনীর আনুষ্ঠানিক প্রত্যাহারের ঘোষণা সত্ত্বেও উত্তর ইরাকের আকাশসীমায় মার্কিন সামরিক বিমানগুলো আবারও টহল কার্যক্রম শুরু করেছে।

আপনার কমেন্ট