হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরাকের পার্লামেন্টের পরিবহন ও যোগাযোগ কমিশনের সদস্য রফিক আল-সালেহি ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার ফলে সৃষ্ট কারিগরি, আইনি ও অর্থনৈতিক পরিণতি এবং ইরাকের বিমান পরিবহন খাতে এর সরাসরি ক্ষয়ক্ষতি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনার আহ্বান জানিয়েছেন।
আল-সালেহি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ইরাকের বিমানবন্দর, বিমান সংস্থা, গ্রাউন্ড সার্ভিস এবং রাজস্বের ওপর স্পষ্ট নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। একই সঙ্গে ইরাক ও ইরানের মধ্যে শিক্ষার্থী, রোগী ও জিয়ারতকারীদের যাতায়াতের ওপরও এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে।
তিনি বিমান চলাচল সীমিত করার ক্ষেত্রে গৃহীত পদক্ষেপগুলোর প্রকৃতি পর্যালোচনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের সঙ্গে বিমান চলাচল সীমিত করার বিষয়ে ইরাকের যেকোনো সরকারি অবস্থানের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আল-সালেহি প্রশ্ন তোলেন, ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে লেনদেন ও সহযোগিতায় বিধিনিষেধ আরোপের নির্দেশনা এবং তা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া কোন পক্ষ নির্ধারণ করেছে? এসব নির্দেশনা ইরাক সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে জারি করা হয়েছে কি না, সেটিও স্পষ্ট করার দাবি জানান তিনি।
এছাড়া তিনি প্রদত্ত ব্যতিক্রমগুলোর প্রকৃতি এবং এ বিষয়ে কী ধরনের সমন্বয় করা হয়েছে, তা প্রকাশের আহ্বান জানান। এ ক্ষেত্রে ইরাকের জাতীয় স্বার্থ, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক এবং বিমান চলাচল-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি ও বিধিবিধান বিবেচনায় নেওয়ার ওপরও তিনি জোর দেন।
আপনার কমেন্ট