সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে অ্যামনেস্টি বলেছে, আইসিসির সদস্য রাষ্ট্রগুলোর আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে—নেতানিয়াহু তাদের ভূখণ্ডে প্রবেশ করলে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
সংগঠনটি আরও বলেছে, নেতানিয়াহু সরকারের বসতি সম্প্রসারণসংক্রান্ত নীতি ও কর্মকাণ্ড এবং পশ্চিম তীর ও গাজায় গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের নিন্দা জানায় তারা।
২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর আইসিসি নেতানিয়াহু ও তৎকালীন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। আদালতের অভিযোগের মধ্যে রয়েছে যুদ্ধের পদ্ধতি হিসেবে অনাহারকে ব্যবহার এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ। এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত বিচারিক রায় হয়নি।
অ্যামনেস্টির বক্তব্য অনুযায়ী, আইসিসির রোম সংবিধি-এর আওতাভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর ওপর আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার দায়িত্ব রয়েছে। সংগঠনটি মনে করিয়ে দিয়েছে, কোনো রাষ্ট্রের বর্তমান বা সাবেক শীর্ষ নেতা হওয়া আইসিসির পরোয়ানা কার্যকরের ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় দায়মুক্তি নিশ্চিত করে না।
আপনার কমেন্ট