হাওজা নিউজ এজেন্সি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উচ্চতর ফিকহের পাঠদান শুরুর আগে আয়াতুল্লাহ জাওয়াদ মারভি উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশের আদালতে সাধারণ মানুষ, তরুণ ও বিশিষ্ট আলেমদের বিরুদ্ধে নিষ্ঠুর রায় ঘোষণার তীব্র নিন্দা জানান। বিশেষ করে কুয়েতের শাসকদের পক্ষ থেকে সংগ্রামী আলেম ও শিক্ষক শেখ হোসাইন আল-মুতাওয়াক্কিল এবং কয়েকজন শিয়া ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার রায়ের কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে আয়াতুল্লাহ মারভি বলেন, “সংগ্রামী আলেম ও শিক্ষক শেখ হোসাইন আল-মুতাওয়াক্কিল এবং কয়েকজন শিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার রায় মূলত পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলোর শাসকদের জনগণ ও নিজ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মোকাবিলায় চরম অসহায়ত্বের বহিঃপ্রকাশ।”
ইরানের ধর্মীয় নগরী কোমের ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক সমিতির এই সদস্য আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের ওপর নির্ভরশীল এসব শাসকের বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা তাঁদের নিজেদের তৈরি সংকটেরই পরিণতি। এসব পদক্ষেপ তাঁদের সেই সংকটে আরও গভীরভাবে নিমজ্জিত করা ছাড়া অন্য কোনো ফল বয়ে আনবে না।”
আয়াতুল্লাহ মারভি বলেন, ইরাকের সাবেক স্বৈরশাসক সাদ্দাম হোসেনের বাথ পার্টির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যারা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, তাঁদের মধ্যে কুয়েতের নির্যাতিত আলেম, বিশিষ্ট ব্যক্তি ও শিয়ারা অন্যতম।
তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের হঠকারী পদক্ষেপের ফলে ওই অঞ্চলের জনগণের মধ্যে জাগরণ আরও জোরদার হবে এবং এসব ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের শাসকদের অসহায়ত্ব আরও বাড়বে। তাদের জন্য অন্ধকার ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে।”
এসব পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে আয়াতুল্লাহ মারভি বলেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান যেসব পদক্ষেপকে প্রয়োজনীয় ও সমীচীন মনে করবে, সেগুলো গ্রহণ করবে।”
আপনার কমেন্ট