আল-জাজিরার বরাতে হাওজা নিউজ এজেন্সি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীরা নেতানিয়াহুকে ‘প্রতারক রাজনীতিবিদ’ ও ‘কুশলী রাজনৈতিক অভিনেতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
এর আগে বিরোধী শিবিরের নেতা গাদি আইসেনকোট ইসরায়েলি আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করেছিলেন। তবে মঙ্গলবারের নির্বাচনের পর সৃষ্ট রাজনৈতিক অচলাবস্থায় সরকার গঠনের জন্য আরব দলগুলোর সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এদিকে নেতানিয়াহুর সমর্থকরাও বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত হয়ে স্লোগান দেন। তারা এমন কোনো সরকার গঠনের বিরোধিতা করেন, যাকে তারা ‘সন্ত্রাসীদের সরকার’ বলে অভিহিত করেন।
মঙ্গলবারের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ব্লক ৫৩টি এবং আইসেনকোটের ব্লক ৪৮টি আসন পেয়েছে। ফলে ১২০ আসনের ইসরায়েলি সংসদে কোনো পক্ষই এককভাবে সরকার গঠনের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।
অন্যদিকে, আরব নেতৃত্বাধীন তিনটি দল মোট ১৯টি আসন পেয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৮ লাখ ৪০ হাজার ভোটার ‘রাম’ ও ‘যৌথ তালিকা’র পক্ষে ভোট দিয়েছেন। ২০২২ সালের নির্বাচনের তুলনায় আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর ভোট বেড়েছে ৬৪ শতাংশ।
আরব দলগুলোর সমর্থন পেলে আইসেনকোটের পক্ষে ৬৭ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করা সম্ভব হতে পারে। তবে অনেক ইসরায়েলির কাছে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠন রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
এদিকে নেতানিয়াহু ফিলিস্তিনি-ইসরায়েলি দলগুলোর বিরুদ্ধে নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ এনেছেন। তার দাবি, এ কাজে দলগুলো কাতার থেকে অর্থ সহায়তা পেয়েছে। তবে দোহা এ অভিযোগ অস্বীকার করে একে ভুল তথ্য ছড়ানোর প্রচারণা বলে অভিহিত করেছে।
আপনার কমেন্ট