শনিবার ৮ মার্চ ২০২৫ - ০৮:০০
রমজান মাসের তাৎপর্য ও রোজার গুরুত্ব

রমজান শব্দটি "রামাজা" থেকে এসেছে, যার অর্থ গরম পাথর বা তীব্র তাপ। এই মাসে মানুষের গুনাহ পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হয় এবং ক্ষমা করা হয়।

হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা আখতার আলি সাহেব গত শুক্রবার জুমার নামাজের খুতবায় রমজান মাসের তাৎপর্য ও রোজার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। ইমাম সাহেব রমজান মাসের ফজিলত ও রোজার বিধান সম্পর্কে মুসল্লিদের অবহিত করেন।  

খুতবায় উল্লেখ করা হয়, রমজান শব্দটি "রামাজা" থেকে এসেছে, যার অর্থ গরম পাথর বা তীব্র তাপ। এই মাসে মানুষের গুনাহ পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হয় এবং ক্ষমা করা হয়। এ কারণেই এই মাসকে রমজান নামে অভিহিত করা হয়েছে।  

ইমাম সাহেব বলেন, ইসলামী মাসগুলোর মধ্যে শুধু রমজানের কথা কুরআনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, রমজান মাস হলো সেই মাস, যাতে কুরআন নাযিল করা হয়েছে, যা মানুষের জন্য হিদায়াত এবং সত্য-মিথ্যার মধ্যে পার্থক্যকারী। তাই এই মাসে রোজা রাখা ফরজ করা হয়েছে।  

তিনি আরও বলেন, রোজা শুধু ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় থাকার নাম নয়। রোজার সময় চোখ, কান ও জিহ্বাকেও সংযত রাখতে হবে। গিবত, অপবাদ ও অশ্লীলতা থেকে দূরে থাকাই হলো রোজার প্রকৃত তাৎপর্য।  

রোজা সম্পর্কে ইসলামের বিধান নিয়েও আলোচনা করা হয়। অসুস্থ বা সফররত ব্যক্তিরা রমজান শেষে রোজা রাখবেন। তবে দশ দিনের কম সফরে রোজা না রাখলেও নামাজ কসর করে পড়তে হবে। পাইলট, ড্রাইভার, নাবিকের মতো পেশাজীবীরা তাদের পেশাগত সফরে রোজা রাখবেন, তবে ব্যক্তিগত সফরে রোজা কসর করা যাবে।  

ইমাম সাহেব রোজাকে "জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষাকারী ঢাল" হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি মুসল্লিদের রমজান মাসের পবিত্রতা রক্ষা এবং ইবাদত-বন্দেগিতে আত্মনিয়োগের আহ্বান জানান।

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha