হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের ইসলামী বিপ্লবের ৪৪তম বর্ষপূর্তি ও ইসলামী প্রজাতন্ত্র দিবস (১২ ফারভার্দিন) উপলক্ষে এক আলোচনায় তিনি বলেন, ইমাম হুসাইন (আ.) কারবালায় কেবল ক্ষুদ্র সংস্কারের জন্য আন্দোলন করেননি। তাঁর বার্তা ছিলো- যদি কোনো সরকার আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত হয়, তাহলে ধর্মের ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে পড়ে। আজকের ইসলামী বিপ্লব সেই ঐশী আহ্বানেরই ধারাবাহিকতা।
তিনি বিপ্লবের চার দশকের অর্জন তুলে ধরে বলেন, ইমাম খোমেনী সাহায্য কমিটির মাধ্যমে ৫০ লাখ দুস্থ মানুষের ভরণপোষণ, দক্ষিণ খোরাসানের মতো প্রদেশে ৮০ হাজার গরিব পরিবারকে সহায়তা, গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সম্প্রসারণ-এসবই ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের জনসেবার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
হুজ্জাতুল ইসলাম যামানী বলেন, সমস্ত নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান কল্যাণমূলক মানদণ্ডে অনেক উন্নত দেশকে পিছনে ফেলেছে, যা ইরানি জাতির আত্মবিশ্বাসের প্রমাণ। তিনি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনেইকে "ইসলামী শাসনব্যবস্থার অনন্য নমুনা" আখ্যা দিয়ে বলেন, তাঁর ফিকহি প্রজ্ঞা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ়তা ও সংযমী জীবনযাপন তাঁকে মুসলিম বিশ্বে অনন্য মর্যাদা দিয়েছে— যা শত্রুরাও স্বীকার করে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের ১৯৩টি দেশের ১০ হাজার শিক্ষার্থী বর্তমানে ইরানে ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করছেন, যারা প্রকৃত ইসলামী চিন্তাধারার দূত। তিনি ইরানকে "বৈশ্বিক আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতীক" হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এই বিপ্লব ছিলো এক আলোর বিস্ফোরণ, যা ইমাম মাহদী (আ.)-এর আবির্ভাব পর্যন্ত জ্বলবে।
আপনার কমেন্ট