হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, এ বছর বিভিন্ন দেশ থেকে ২ কোটি (২০ মিলিয়ন) এরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণে আরবাইন মিলিয়ন মার্চ (পদযাত্রা) অনুষ্ঠিত হলেও, বিদেশি সংবাদ মাধ্যমগুলো এই অনন্য পদযাত্রার অসম্পূর্ণ ও অবাস্তব চিত্র উপস্থাপন করেছে।
এই উপলক্ষে বিবিসি তাদের নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে আরবাইন অনুষ্ঠানকে আলোকপাত করতে এবং শ্রোতাদের মনে এই ধারণা সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছে যে আরবাইন একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং সরকার এটি পরিচালনা করে। এটি এমন এক সময়ে বলা হচ্ছে যখন আরবাইন একটি প্রাচীন রীতি এবং ইরাকি জনগণের হৃদয় থেকে উত্থিত একটি আহ্বান, আর আরবাইন মার্চে অংশগ্রহণকারীদের বেশিরভাগই ইরাকি জনগণ।
প্রতি বছর আরবাইন হুসাইনির জমজমাট বাড়ছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও জীবনের সব স্তরের মানুষ আরবাইনের (সময়) নাজাফ আশরাফ, হিল্লাহ, বাগদাদ, কাজিমাইন এবং গ্রামীণ এলাকা থেকে কারবালা-এ মোয়াল্লা পর্যন্ত পায়ে হেঁটে আরবাইন মিলিয়ন মার্চে অংশ নেন। বিভিন্ন দেশ, বিভিন্ন বর্ণ এবং বিভিন্ন ভাষার মানুষ এই আধ্যাত্মিক যাত্রায় সম্প্রীতি ও একাত্মতা নিয়ে এগিয়ে চলেন।
ইরাকের মুমিনবৃন্দ মার্চের অংশগ্রহণকারীদের সেবায় তাদের সবকিছু উৎসর্গ করেন এবং ইরাকিদের এই অনুভূতি, সেবা এবং আতিথেয়তা বাইরের বিশ্বের মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
আরবাইন হুসাইনির এই যাত্রা কেবল একটি জিয়ারত (তীর্থযাত্রা) নয়, বরং এটি সাম্রাজ্যবাদ থেকে ঘৃণা, নির্যাতিতদের জোরালো কণ্ঠ এবং ঐক্যের একটি বাস্তব প্রদর্শন, এবং এটি ইসলামী জীবনযাত্রার একটি প্রতিচ্ছবি।
আপনার কমেন্ট