হাওজা নিউজ এজেন্সি: তিনি লেবাননের আলেম সাইয়্যেদ আব্বাস আলী আল-মুসাভীর স্মরণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। এ সময় তিনি ইমাম সাইয়্যেদ মুসা আল-সাদরের নিখোঁজ হওয়ার বার্ষিকীর প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “আল-সাদর লেবাননে ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলনের বাস্তবতায় এক মৌলিক পরিবর্তন এনেছিলেন।”
শেখ নাঈম আরও বলেন, “লেবাননের সীমান্তে তাকফিরি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহ ও সেনাবাহিনীর যৌথ সমন্বয় একটি মডেল, যা অনুসরণযোগ্য।”
তিনি লেবানন সরকারকে জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশল নিয়ে গভীর আলোচনার জন্য জরুরি অধিবেশন আয়োজনের আহ্বান জানান, যাতে ইসরায়েলি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে জাতীয় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত করা যায়।
হিজবুল্লাহ মহাসচিব জোর দিয়ে বলেন, “প্রতিরোধ মানে আগ্রাসনকে থামানো নয়, বরং সরাসরি মোকাবিলা করা।”
তিনি উল্লেখ করেন, “গত চার দশকে হিজবুল্লাহর অসাধারণ সাফল্য হয়তো অনেককে এ ধারণা দিয়েছে যে ইসরায়েলি আগ্রাসন প্রতিরোধের কাছে ব্যর্থ হয়েছে।”
শেখ নাঈম কাসেম আরও অভিযোগ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল লেবানন সরকারকে প্রতিরোধবিরোধী অবস্থান নিতে চাপ প্রয়োগ করেছে। তার ভাষায়, “আমেরিকার ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ লেবাননে সহায়তা প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করেছে, গ্যাস প্রকল্প ও পুনর্গঠন কার্যক্রম থামিয়ে দিয়েছে এবং দেশটির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।”
আপনার কমেন্ট