হাওজা নিউজ এজেন্সি: কাউসারি তাসনিম নিউজকে বলেন, “এই প্রক্রিয়ার কোনো কার্যকারিতা এখন নেই। প্রথমবার ট্রাম্প প্রশাসনের সময় আমেরিকা একপাক্ষিকভাবে চুক্তি থেকে বের হয়ে যাওয়ায় JCPOA কার্যত শূন্য হয়ে গেছে। ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতিশ্রুতিও তারা পূর্ণ করেনি।”
তিনি আরও বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী কয়েকটি দেশ অন্য দেশের উপর একপাক্ষিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। ঠিক এ কারণে ‘স্ন্যাপ মেকানিজম প্রক্রিয়া’র কোনো বৈধতা নেই।”
কাউসারি জাতিসংঘের ভূমিকা প্রসঙ্গে বলেন, “জাতিসংঘকে আইনগত ও মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা রাখতে হবে, কিন্তু ভেটোধারী দেশগুলো, বিশেষত আমেরিকা, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স, নিজেই নিয়মভঙ্গকারী। তারা আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়াকে কেবল নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে। তাই ‘স্ন্যাপ মেকানিজম প্রক্রিয়া’ চালুর দাবিটা মূলত মানসিক চাপ তৈরির অপারেশন।”
তিনি বলেন, “ইরান সব প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করেছে। অন্যদিকে, আমেরিকা নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোও তাদের দায়িত্ব পালন না করে ওয়াশিংটনের অনুসারী হয়েছে। তাই যদি তারা আবারও এই প্রক্রিয়া ব্যবহার করতে চায়, ইরানের বিকল্প রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো NPT থেকে বের হওয়া। তবে যেকোনো সিদ্ধান্ত জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তার ভিত্তিতে নেওয়া হবে।”
কাউসারি শেষ করেন, “শত্রুরা গত কয়েক বছরে ইরানকে পিছিয়ে আনার চেষ্টা করেছে, কিন্তু এর ফলে ইরানি জনগণের প্রতিরোধশক্তি বেড়েছে। যদি তারা ইরানের অধিকার উপেক্ষা করে, ইরানের প্রতিক্রিয়া হবে দৃঢ়, আইনি ও প্রতিরোধমূলক।”
আপনার কমেন্ট