হাওজা নিউজ এজেন্সি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের হাওজায়ে ইলমিয়ার শিক্ষা বিভাগের উপ-প্রধান হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন আবুল কাসেম মুকিমি হাজির সঙ্গে এক সাক্ষাতে তিনি বলেন, শিক্ষা ও পাঠদানের ব্যবস্থায় তদারকির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করতে হবে।
হাওজায়ে ইলমিয়ার সর্বোচ্চ পরিষদের মহাসচিব বলেন, আহলে বাইত (আ.)-এর বাণী ও হাদিসসমূহকে পাঠ্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং শিক্ষাদানের উপযোগী নির্ভরযোগ্য পাঠ্য হিসেবে এগুলোকে প্রতিষ্ঠিত করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ‘ওয়াসায়িলুশ শিয়া’ গ্রন্থটি প্রয়োজনীয় পরিমার্জন ও শিক্ষাবান্ধব প্রস্তুতির মাধ্যমে পাঠ্যগ্রন্থ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এর উদ্দেশ্য শুধু প্রচলিত পদ্ধতিতে হাদিস পাঠ করা নয়। বরং একজন দক্ষ শিক্ষক এই গ্রন্থ পাঠদানের মাধ্যমে উসুলুল ফিকহ, ফিকহ এবং ইলমে রিজালের মৌলিক নীতিমালা ও গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো শিক্ষার্থীদের সামনে ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ করতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের পূর্ববর্তী মহান আলেমগণ হাদিসের ওপর গভীর দক্ষতা ও পূর্ণাঙ্গ কর্তৃত্ব রাখতেন; যার ফলেই তাঁদের থেকে সমৃদ্ধ ফিকহের বিকাশ ঘটেছে।
আয়াতুল্লাহ শাব জিন্দেদার সমসাময়িক ফিকহ বিষয়ক গ্রন্থগুলোর ব্যাপারে গঠনমূলক সমালোচনা ও প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘অগ্রগামী ও শ্রেষ্ঠ হাওযা’ প্রতিষ্ঠার যে লক্ষ্য শহীদ বিপ্লবী নেতা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছিলেন, তা এখনও অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে অনুসরণ করা উচিত।
তিনি আরও গুরুত্বারোপ করেন যে, দেশের হাওযা ইলমিয়াগুলোর মধ্যে বিশেষ করে খোরাসান হাওযার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ মতবিনিময়, সহযোগিতা ও পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
বৈঠকের শুরুতে হাওজায়ে ইলমিয়ার শিক্ষা বিভাগের উপ-প্রধান হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমীন আবুল কাসেম মুকিমি হাজি তাঁর বিভাগের গৃহীত কার্যক্রম ও অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

আপনার কমেন্ট