হাওজা নিউজ এজেন্সি: ২৪ মহররম দিনাজপুরে আয়োজিত এ শোক মিছিলে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আলেম-ওলামা, ধর্মপ্রাণ মুসলমান এবং ইমাম হুসাইনের (আ.) অনুসারী শিয়া মুসলমানরা অংশ নেন। তারা ইমাম হুসাইন (আ.) ও কারবালার শহীদদের স্মরণে শোক প্রকাশ করেন।
আয়োজকদের অভিযোগ মতে, জুলুস প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে মাওলানা ড. সৈয়দ ইরশাদ আল-বুখারী ও তাঁর সমর্থকরা পৃথক একটি মিছিল বের করেন। ওই মিছিল থেকে কাদিয়ানী ও শিয়া সম্প্রদায়কে কাফির ঘোষণার দাবি জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ‘শিয়াদের মিছিল নয়, জানাযা বের হবে’—এমন হুমকিমূলক স্লোগান দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে এবং অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করে। হুসাইনি মুসলমানদের ভয়ডরহীন ঈমানি দৃঢ়তা ও প্রশাসনিক নিরাপত্তার মধ্যে জুলুসটি শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জুলুসে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা বলেন, মত ও ধর্মীয় বিশ্বাসের পার্থক্য থাকলেও কোনো সম্প্রদায়ের ধর্মীয় কর্মসূচি বন্ধ করতে হুমকি বা সহিংসতার আশ্রয় নেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। তারা শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় আচার পালনের অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, কারবালার মর্মান্তিক ঘটনার স্মরণে ইমাম হুসাইন (আ.)-এর শাহাদাতকে কেন্দ্র করে শিয়া মুসলমানদের মধ্যে বিভিন্ন শোকানুষ্ঠান ও জুলুস পালনের ঐতিহ্য রয়েছে। আরবাঈন সেই স্মরণপর্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি।

আপনার কমেন্ট