হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, সর্বোচ্চ নেতা বলেন, বর্তমানে গোটা ইসলামী ইরানজুড়ে শত্রুর মোকাবিলায় বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি ও অংশগ্রহণের ঘোষণা অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ করে সশস্ত্র প্রস্তুতি গ্রহণের আগ্রহও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, দেশের জনগণের এই প্রস্তুতি এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে, যেখানে তারা শত্রুর মোকাবিলায় নিজেদের দৃঢ়তা, পরিচয় ও আত্মত্যাগের মানসিকতা প্রকাশ করবে।
১০০ মিনিটে ৫ লাখের বেশি মানুষের সাড়া
সর্বোচ্চ নেতার বক্তব্যে জনগণের দ্রুত অংশগ্রহণের বিষয়টি বিশেষভাবে উঠে এসেছে। তিনি জানান, জনগণের পুনরায় উপস্থিতি ও প্রস্তুতি জানানোর লক্ষ্যে একটি সাংগঠনিক উদ্যোগ নেওয়া হলে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যায়।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মাত্র প্রথম ১০০ মিনিটেই ৫ লাখেরও বেশি মানুষ নির্ধারিত অংশগ্রহণের সক্ষমতা পূরণ করে ফেলেন। এর মাধ্যমে জনগণের একটি বড় অংশের সংগঠিতভাবে অংশগ্রহণের আগ্রহ ও প্রস্তুতির বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
দেশজুড়ে প্রস্তুতির ঘোষণা
সর্বোচ্চ নেতা বলেন, এই প্রস্তুতি শুধু রাজধানী তেহরান কিংবা নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চলে সীমাবদ্ধ নয়। বরং গোটা ইসলামী ইরানজুড়েই বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি ও অংশগ্রহণের ঘোষণা রয়েছে।
তিনি বিশেষভাবে সশস্ত্র প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করে বলেন, জনগণের পক্ষ থেকে এমন প্রস্তুতি গ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করা হচ্ছে, যা প্রয়োজনে শত্রুর মোকাবিলায় তাদের ভূমিকা পালনের সক্ষমতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ
বক্তব্যে জনগণের অংশগ্রহণকে সম্ভাব্য সংঘাত বা সংকট মোকাবিলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সর্বোচ্চ নেতার বক্তব্য অনুযায়ী, জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি ও প্রস্তুতি এমন একটি ক্ষেত্র তৈরি করবে, যেখানে তারা নিজেদের অবস্থান স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে পারবে।
তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে দেশের জনগণ এমন একটি ‘রণাঙ্গন’ তৈরি করবে, যা তাদের জন্য পরিচয় ও মর্যাদার এবং শত্রুর জন্য অপমানের কারণ হবে-এমন ভাষাতেই তিনি বিষয়টি তুলে ধরেন।
আত্মত্যাগের মানসিকতার কথা
সর্বোচ্চ নেতার বক্তব্যে ‘আত্মোৎসর্গ’ বা জানফিদা হওয়ার প্রস্তুতির বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৩ কোটিরও বেশি ইরানি নিজেদের আত্মোৎসর্গের প্রস্তুতির কথা ঘোষণা করেছেন।
এই বক্তব্যে মূলত শত্রুর মোকাবিলায় জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ, সংগঠিত হওয়ার আগ্রহ এবং দেশের জন্য আত্মত্যাগের প্রস্তুতির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ৩ কোটিরও বেশি মানুষের আত্মোৎসর্গের ঘোষণা এবং ১০০ মিনিটে ৫ লাখের বেশি মানুষের অংশগ্রহণের তথ্য সর্বোচ্চ নেতার বক্তব্যে উপস্থাপিত পরিসংখ্যান। এসব সংখ্যার স্বাধীন পরিসংখ্যানগত যাচাই এই প্রতিবেদনের আওতায় করা হয়নি।
আপনার কমেন্ট