হাওজা নিউজ এজেন্সি: এর আগে সোমবার ইরাকের সর্বস্তরের মানুষ দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ করেন। ইরানগামী ও ইরান থেকে আসা সব ফ্লাইট স্থগিত করতে বাগদাদ সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এসব বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, দক্ষিণাঞ্চলীয় নাসিরিয়াহ শহর, পবিত্র নগরী কারবালার মাজার প্রাঙ্গণ এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় আমারা শহরে এসব বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আল-হাকিম বলেন, তাঁর দপ্তর শুক্রবার এমন একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর কথা জানিয়েছে, যার মাধ্যমে আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হবে। এসব বিধিনিষেধ হাজি ও ধর্মীয় তীর্থযাত্রী, রোগী, শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায়ীদের ওপর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারত।
আল-হাকিম এই পদক্ষেপকে “জনগণের মধ্যে যাতায়াত ও যোগাযোগ সহজ করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ” হিসেবে উল্লেখ করেন।
ইরাকের এই জ্যেষ্ঠ শিয়া ধর্মীয় নেতা বলেন, “এই অর্জন প্রমাণ করে যে, সংলাপ ও গঠনমূলক কূটনীতির মাধ্যমে অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধান এবং প্রতিবন্ধকতা দূর করে ইরাক ও এর জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব।”
ইরাকের ন্যাশনাল উইজডম মুভমেন্টের এই নেতা একতরফা মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে লড়াইরত ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ও দেশটির জনগণের প্রতি তাঁর দৃঢ় সংহতিও প্রকাশ করেন।
তিনি ইরাকের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচলের জন্য ইরাকের সব বিমানবন্দর পুনরায় খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান।
আল-হাকিম জোর দিয়ে বলেন, ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিমান চলাচলের রুট পুনরায় চালু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মানবিক দিক বিবেচনায় এর গুরুত্ব অনেক এবং এর মাধ্যমে দুই প্রতিবেশী মুসলিম দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও যাতায়াত আরও সহজ হবে।
আপনার কমেন্ট