হাওজা নিউজ এজেন্সি: তিনি ইমাম হাসান আসকারি (আ.)-এর একটি হাদিস উদ্ধৃত করে বলেন, ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর নৈকট্য অর্জনের জন্য দুটি প্রধান উপাদান হলো—“এতা‘আত” (আল্লাহর আনুগত্য) ও “ইখলাস” (খাঁটি নিয়ত)। তিনি ব্যাখ্যা করেন, আনুগত্য মানে হচ্ছে আল্লাহ যা চান তা পালন করা, নিজের ইচ্ছা, অভ্যাস বা সামাজিক প্রথাকে অনুসরণ করা নয়। অভ্যাস-নির্ভর, নফস-নির্ভর ও রীতি-নির্ভর মানুষ কখনোই ইমাম মাহদি (আ.)-এর পথে অগ্রসর হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, গায়বাতের যুগে ইমামের অনুপস্থিতি অনুভব করার আসল কারণ হচ্ছে মানুষ তাঁকে চিনতে না পারা। এমনকি হাদিসে এসেছে, ইমামের জুহুরের পর অনেকেই বুঝতে পারবে যে, তারা জীবনে বহুবার তাঁকে দেখেছে, কিন্তু চিনতে পারেনি।
ইমাম হাসান আসকারি (আ.) ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর উদ্দেশ্যে বলেছেন, “আনুগত্য ও ইখলাসে ভরা হৃদয়গুলো তোমার দিকে ধাবিত হবে।” অর্থাৎ ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর পথ হচ্ছে আনুগত্য ও খাঁটি নিয়তের পথ।
হুজ্জাতুল ইসলাম ফারাহজাদ বলেন, যে আমল রিয়া, চোখে-চোখে চলা বা দেখানোর উদ্দেশ্যে করা হয় তা কোনো উপকার বয়ে আনে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা সন্দেহপ্রবণ ও শয়তানের কুমন্ত্রণায় ভোগে তারা বাস্তবে শয়তানের দাস হয়ে পড়ে এবং আল্লাহর আনুগত্য থেকে দূরে সরে যায়।
শেষে তিনি জোর দিয়ে বলেন, অধিকাংশ আমলই মানুষ দুনিয়ার স্বার্থে করে থাকে, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নয়। তাই আমাদেরকে অনুশীলন করতে হবে যেন আমরা আমলে খাঁটি নিয়ত আনতে পারি। নিয়তের পবিত্রতা ছাড়া ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর নৈকট্য অর্জন সম্ভব নয়।
আপনার কমেন্ট