শনিবার ৩০ আগস্ট ২০২৫ - ১৩:২৭
রাজনৈতিক কার্যকারিতা ও জনগণের সন্তুষ্টি : এক অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক

রাজনৈতিক বিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কোনো সরকার যদি সমাজের সমস্যার সমাধান ও জনগণের চাহিদা পূরণের জন্য একটি সুসংহত ও গ্রহণযোগ্য দিকনির্দেশক বক্তব্য বা নীতিগত রূপরেখা না রাখে, তবে কার্যকারিতা হারায়। দিকনির্দেশক নীতির অভাবে রাষ্ট্র তার মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয় এবং জনগণের আস্থা নষ্ট হয়।

হাওজা নিউজ এজেন্সি: একজন বিশেষজ্ঞের মতে— "কার্যকর নীতিগত বক্তব্য  সরকারের জন্য অপরিহার্য। এটি কেবল নীতি-নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় শৃঙ্খলা ও লক্ষ্য স্থির করে না, বরং সমাজকে কাঙ্ক্ষিত দিকনির্দেশনা দেয়। এভাবেই সমাজে জন্ম নেয় নিরাপত্তাবোধ— অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সবক্ষেত্রেই। আর এই নিরাপত্তা নাগরিকদের মধ্যে যে সন্তুষ্টি তৈরি করে, সেটিই আসলে কার্যকর সরকারের সবচেয়ে বড় সাফল্য।"

জনগণের সন্তুষ্টি : সামাজিক পুঁজির প্রতিফলন
হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন ইজদেহি বলেন,
"একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থার কার্যকারিতা সরাসরি জনগণের সন্তুষ্টির সঙ্গে সম্পর্কিত। জনগণের সন্তুষ্টিই প্রমাণ করে যে সরকারের অভ্যন্তরে সামাজিক পুঁজি কতটা শক্তিশালী। তাই সরকারের উচিত তাদের নীতি, কার্যক্রম ও ফলাফল এমনভাবে পরিচালনা করা যাতে সামাজিক পুঁজি সৃষ্টি হয় এবং ক্রমাগত বিস্তার লাভ করে।"

তিনি আরও যোগ করেন— "যখন একটি সরকার সামাজিক পুঁজি গড়ে তুলতে সক্ষম হয়, তখনই সেই সরকারের দিকনির্দেশক বক্তব্য বা আদর্শ টিকে থাকে। অর্থাৎ জনগণের গ্রহণযোগ্যতা ও সমর্থনই রাজনৈতিক ব্যবস্থার স্থায়িত্বের মূল ভিত্তি।"

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha