হাওজা নিউজ এজেন্সি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রদেশের ভোপাল শহরে পুলিশের অভিযানের সময় একটি শিয়া উপাসনালয়ে অবমাননার ঘটনা এবং উত্তরপ্রদেশের ফররুখাবাদ জেলায় হযরত আলী (আ.)-এর নামে সংশ্লিষ্ট একটি মাজারে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে তিনি গভীর উদ্বেগজনক বলে আখ্যায়িত করেন।
শিয়াদের পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ
তিনি বলেন, ভারতের ইতিহাসে হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক সংঘাতের নজির থাকলেও শিয়া সম্প্রদায়কে পরিকল্পিত ও সংগঠিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করার ঘটনা অতীতে দেখা যায়নি। বর্তমান পরিস্থিতি একটি বিপজ্জনক প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা বিশেষ করে মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশ রাজ্য সরকারের জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করে।
জাতীয় পর্যায়ে তদন্ত ও কঠোর শাস্তির দাবি
তিনি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হোক এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তাঁর মতে, এ ধরনের ঘটনায় উদাসীনতা ভবিষ্যতে নিরাপত্তাহীনতা ও ধর্মীয় উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
বিদেশি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ
বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েল-সম্পৃক্ত কিছু গোষ্ঠী ভারতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে। তিনি আরও দাবি করেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শিয়াদের যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী অবস্থানের কারণেও এ ধরনের তৎপরতা উসকে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।
বক্তব্যের শেষে তিনি জোর দিয়ে বলেন, স্বচ্ছ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমেই কেবল ভারতের সামাজিক স্থিতিশীলতা ও ধর্মীয় সহাবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব।
আপনার কমেন্ট