হাওজা নিউজ এজেন্সি: এসসিও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে ইরানি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদল কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে পৌঁছায়। আগমনের পর কিরগিজস্তানের সশস্ত্র বাহিনী তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানায়।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর শক্তিশালী অগ্রযাত্রা এবং ইরানি জনগণের দৃঢ় প্রতিরোধের কথা উল্লেখ করে তলায়ি-নিক বলেন, ভৌগোলিক পরিসর ও জনসংখ্যাগত গুরুত্বের কারণে এসসিও আজ দেশ ও সরকারের অভিন্ন ইচ্ছার প্রতিচ্ছবি—একটি অন্যায্য একমেরুকেন্দ্রিক কাঠামো থেকে মুক্তি পেয়ে ন্যায্য বহুমেরুকেন্দ্রিকতার দিকে অগ্রসর হওয়ার প্রয়াস।
কিরগিজস্থান, রাশিয়া, পাকিস্তান ও বেলারুসের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে তিনি বলেন, স্বাধীন দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র পূর্বের মতো নীতি চাপিয়ে দেওয়ার অবস্থানে আর নেই—এ বিষয়টি এখন বিশ্বব্যাপী অনেক রাষ্ট্রের কাছেই স্পষ্ট হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে শেষ পর্যন্ত তার “অবৈধ ও অযৌক্তিক দাবিগুলো” পরিত্যাগ করতে হবে।
জেনারেল তালায়ি-নিক দাবি করেন, বিশ্ব আজ যুক্তরাষ্ট্র ও সায়োনিস্ট শাসনকে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের প্রতীক হিসেবে দেখে। তিনি বলেন, “নিরীহ মানুষকে হত্যা—বিশেষত মিনাব স্কুলের শিশু ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত বর্বরতা—পশ্চিমা বিশ্বের ভাবমূর্তি গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।”
তিনি জানান, সম্ভাব্য যে কোনো ভুল হিসাব বা হুমকির মোকাবিলায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তালায়ি-নিক আরও বলেন, “ইরান তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতা স্বাধীন দেশগুলোর সঙ্গে—বিশেষ করে এসসিও সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে—অংশীদারিত্বে আগ্রহী।”
তার বক্তব্যে তিনি এ কথাও উল্লেখ করেন যে, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিজেদের অভিজ্ঞতাও অন্যান্য এসসিও সদস্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে প্রস্তুত।
আপনার কমেন্ট