হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মাশিয়া গ্রামে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে এলাকার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
ঈদের প্রথম জামাতটি ইমামতি করেন হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা জামশেদ আলী সাহেব তিনি তাঁর খুতবায় রমজানের রোজার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির গুরুত্ব ও সমাজে ঐক্য বজায় রাখার প্রতি জোর দেওয়া হয়। তিনি বলেন, রমজান আমাদের শিক্ষা দেয় সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের। ঈদের এই দিনে গরিব-ধনীর মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে ফিতরা ও যাকাতের ভূমিকা অপরিসীম । এছাড়া, তিনি নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নত অনুসরণ করে পারিবারিক বন্ধন ও সম্প্রীতির প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।
দ্বিতীয় জামাতের ইমাম হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা আলি নাকী সাহেব তিনি তাঁর খুতবায় সমকালীন সামাজিক প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, "ইমাম সাদিক (আ.)-এর হাদিস অনুযায়ী, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম উপায় হলো মজলুমদের পাশে দাঁড়ানো। যারা নির্যাতিত মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসে, তারাই প্রকৃত ঈমানদার"। তিনি ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংকটাপন্ন অঞ্চলের মুসলিমদের জন্য বিশেষ দোয়া করেন এবং স্থানীয়ভাবে দুস্থদের সহায়তার আহ্বান জানান ।
ফলাফল:
ঈদুল ফিতরের নামাজ ও খুতবায় ধর্মীয় বিধানের পাশাপাশি সামাজিক ন্যায়ের বার্তা বিশেষভাবে প্রাধান্য পেয়েছে। মজলুমদের পাশে দাঁড়ানো, ঐক্যবদ্ধ সমাজ গঠন এবং আত্মীয়তার বন্ধনকে ঈমানের অঙ্গীকরন হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এই উদ্যাপন কেবল আনন্দের নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধের পুনরুত্থানেরও সাক্ষী।
আপনার কমেন্ট