হাওজা নিউজ এজেন্সি: আপনি কি শিশুকে শারীরিক শাস্তি দেওয়ার চেয়ে কার্যকরী পদ্ধতি খুঁজছেন? কথার জাদুকরী শক্তিকে অবমূল্যায়ন করবেন না! মৌখিক দক্ষতা উন্নত করে শিশুর অসংযত আচরণ সংশোধন করুন এবং শারীরিক শাস্তির নেতিবাচক প্রভাব এড়িয়ে চলুন। তাহলে করণীয় কী?
করণীয় পরামর্শসমূহ:
১. শারীরিক শাস্তি এড়িয়ে চলুন: শিশুর স্মৃতিতে আপনার প্রশংসা বা মারধর ক্ষণস্থায়ী। তাই শিশুকে মারধর বা জোর প্রয়োগ করলে তা কোনো ইতিবাচক ফল বয়ে আনে না। বরং দীর্ঘমেয়াদে এটি মানসিক ও আচরণগত সমস্যা সৃষ্টি করে।
২. কথোপকথনের মাধ্যমে শেখান: শিশুর সাথে একান্তে এবং শান্তভাবে কথা বলে তাকে তার ভুলের কারণ ও ফলাফল বোঝান। উদাহরণ: “যখন তুমি খেলনা ভাঙো, তখন অন্যরা কষ্ট পায়। তারা তোমাকে মন্দ ভাবে। এমন আচরণ করলে কেউ তোমার সাথে খেলতে চাইবে না।”
৩. ধৈর্য্য ও স্নেহের শিশুকে সাথে পরিচালনা করুন: শিশুর আচরণ দ্রুত পরিবর্তনের আশা না করে ধারাবাহিকভাবে সঠিক নির্দেশনা দিন।
মনে রাখুন: সন্তানের সঙ্গে আপনার ‘সহানুভূতিশীল যোগাযোগ’ শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং তাকে তার ভুল বুঝে তা শুধরিয়ে দায়িত্বশীল করে গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
উৎস: ইসলামিক কাউন্সেলিং সেন্টার ‘সামাহ’
হাওজা নিউজ এজেন্সি/ রাসেল আহমেদ রিজভী
আপনার কমেন্ট