হাওজা নিউজ এজেন্সি: প্রতিনিধিদলটি শহীদ ইসলামী বিপ্লবের নেতা শহীদ আয়াতুল্লাহিল উজমা সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী (রহ.)-এর জানাজায় অংশ নিতে তেহরানে আসে। তারা শহীদ আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ী (রহ.), তাঁর পরিবারের সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আরোপিত যুদ্ধে শহীদ হওয়া ইরানের জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের শাহাদাতে ইরানের নেতৃত্ব, সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
মুহাম্মাদ দারবিশ ফিলিস্তিনের পবিত্র উদ্দেশ্য, দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ প্রতিরোধ এবং ইসরায়েলি অপরাধের বিরুদ্ধে শহীদ নেতার “নীতিগত ও সাহসী অবস্থান”-এর ভূয়সী প্রশংসা করেন।
তিনি যুদ্ধক্ষেত্র ও কূটনৈতিক অঙ্গনে ইরানের “মহান বিজয়”-এর জন্য অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই অর্জন কেবল ইরানের নয়; বরং সমগ্র প্রতিরোধ ফ্রন্ট এবং মুসলিম উম্মাহর বিজয়।
সাক্ষাতে হামাস প্রতিনিধিদল গাজায় ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলমান “সম্পূর্ণ অমানবিক পরিস্থিতি” এবং পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত অপরাধ সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করে।
তারা ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যার মুখে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তাকে “বিপর্যয়কর” বলে অভিহিত করেন। একই সঙ্গে দখলদার ইসরায়েলি শাসনের অপরাধ বন্ধে কার্যকর আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্টদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি জানাজায় অংশগ্রহণের জন্য ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রতিনিধিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং আল-কুদসকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি ইরানের নীতিগত সমর্থন অব্যাহত থাকবে।
আপনার কমেন্ট