হাওজা নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিশুর লালন-পালন ও শিক্ষার প্রাথমিক এবং মৌলিক দায়িত্ব পরিবারের ওপর বর্তায়। ‘শহীদ আয়াতুল্লাহর চিন্তাধারায় শিশুর লালন-পালন’ শীর্ষক বইয়ের আলোকে বলা হয়েছে, শিশুর জীবনের প্রথম ছয় বছর তার পরিচয়, আবেগ, ভাষা ও নৈতিকতার ভিত্তি গড়ে তোলার স্বর্ণালি সময়।
মানুষের শিক্ষা ও চরিত্র গঠনে বিভিন্ন উপাদান প্রভাব ফেললেও শৈশবে পরিবারই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জীবনের প্রথম বছরগুলোতে সন্তানের যত্ন নেওয়া ও তাকে সুশিক্ষা দেওয়া বাবা-মায়ের দায়িত্ব এবং এটি প্রতিটি শিশুর অধিকার।
প্রকৃতপক্ষে, মানুষের ব্যক্তিত্ব ও পরিচয়ের ভিত্তি পরিবার থেকেই গড়ে ওঠে। পরিবারে থেকেই শিশু নৈতিকতা, আচরণ, চিন্তাভাবনা এবং অন্যদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করে।
শিশু বিদ্যালয়ে যাওয়ার আগেই পরিবার ও সমাজের উচিত তাকে অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে, ভালো আচার-আচরণ শিখতে এবং উন্নত নৈতিক চরিত্র গড়ে তুলতে সহায়তা করা।
এই সমস্ত দায়িত্ব শুধু বিদ্যালয় ও শিক্ষকদের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। কারণ, শিশুর জীবনের প্রথম ছয় বছর তার ব্যক্তিত্ব গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।
এই সময়ে শিশুর চিন্তাশক্তি, ভাষাগত দক্ষতা, আবেগ এবং অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করার সক্ষমতা বিকশিত হয়।
এ কারণেই শৈশব থেকেই শিশুকে উপযুক্ত শিক্ষা দেওয়া শুরু করা প্রয়োজন। শিশুরা আমাদের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি নৈতিক ও আধ্যাত্মিক বিষয় বুঝতে পারে। তাদের বয়সের উপযোগী সহজ পদ্ধতি অবলম্বন করে এসব ধারণা শেখানো সম্ভব।
সূত্র: শহীদ আয়াতুল্লাহর চিন্তাধারায় শিশুর লালন-পালন শীর্ষক বই।
আপনার কমেন্ট