-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব- ৫৪
আহলুস সুন্নাহর উৎসসমূহে মাহদাভিয়াত
মাহদাভিয়াতের বিশ্বাস এবং ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর বিশ্বব্যাপী ন্যায়ভিত্তিক আন্দোলনের প্রত্যাশা ইসলামী আকীদার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক অধ্যায়। কিছু মানুষের ধারণার বিপরীতে, এ বিশ্বাস কেবল শিয়া মাযহাবের একান্ত নিজস্ব বিষয় নয়; বরং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুস্পষ্ট ভবিষ্যদ্বাণী ও সুসংবাদের ভিত্তিতে ইসলামী উম্মাহর বিভিন্ন মাযহাব ও চিন্তাধারার মধ্যে সুপ্রতিষ্ঠিত একটি বিশ্বাস।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব ৫২
পবিত্র কুরআনে মাহদাভিয়াত (চতুর্থ খন্ড)
আল্লাহ তাআলা পৃথিবীতে নির্বাচিত মুমিন ও সৎকর্মপরায়ণদের জন্য শাসন প্রতিষ্ঠা, দ্বীনের বিজয় ও পূর্ণ নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন; তবে এই গোষ্ঠী কারা—এ নিয়ে তাফসিরবিদদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব ৫১
পবিত্র কুরআনে মাহদাভিয়াত (তৃতীয় পর্ব)
পবিত্র কুরআনের কিছু আয়াত ইঙ্গিত করে যে, শেষপর্যায়ে নিপীড়িতরা (মুস্তায‘আফ) অত্যাচারীদের ওপর বিজয়ী হবে এবং শেষ পর্যন্ত পৃথিবী যোগ্য ও সৎ লোকদের হাতে ন্যস্ত হবে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব ৫০
পবিত্র কুরআনে মাহদাভিয়াত (দ্বিতীয় খন্ড)
শুধুমাত্র ‘মুস্তায‘আফ’ (নিপীড়িত বা দুর্বল অবস্থায় থাকা) হওয়াই শত্রুর ওপর বিজয় ও পৃথিবীতে শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যথেষ্ট নয়; বরং এর সঙ্গে দৃঢ় ঈমান ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন অপরিহার্য। পৃথিবীর নিপীড়িত জনগোষ্ঠী যতদিন পর্যন্ত এই দুই মূলনীতিকে বাস্তবে প্রতিষ্ঠিত না করবে, ততদিন তারা পৃথিবীর শাসনভার লাভ করতে পারবে না।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৯
পবিত্র কুরআনে মাহদাভিয়াত (প্রথম খন্ড)
পবিত্র কুরআন মাজীদে ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আবির্ভাব ও কিয়াম সম্পর্কে সামগ্রিকভাবে আলোচনা করা হয়েছে এবং বিশ্বব্যাপী ন্যায়ভিত্তিক শাসন প্রতিষ্ঠা ও সৎকর্মপরায়ণদের বিজয়ের সুসংবাদ প্রদান করা হয়েছে। শিয়া মুফাসসিরগণ এবং আহলে সুন্নতের কিছু মুফাসসির—আহলে বাইত (আ.)-এর রেওয়াত ও ইসলামী চিন্তাবিদদের মতামতের ভিত্তিতে—এ ধরনের আয়াতসমূহকে ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে বিবেচনা করেছেন।
-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা — পর্ব ৪৮
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর জন্য প্রতীক্ষাকারীদের বিশেষ দায়িত্ব ও কর্তব্য
বর্তমান সময়ে এমন মানুষের অভাব নেই, যারা বিভিন্ন কারণে গায়েব বা দৃষ্টির আড়ালে থাকা ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর প্রতি বিশ্বাস ও তাঁর স্মরণকে সহ্য করতে পারে না এবং এ পথে নানাবিধ অপচেষ্টা চালায়। অথচ ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো—বিপদ ও দুর্দশার সময় ধৈর্য ধারণ করা। তাই এই যুগে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আমাদের উচিত এসব কষ্ট ও প্রতিকূলতার মুখে আরও বেশি ধৈর্যশীল থাকা।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৭
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর প্রতীক্ষাকারীদের সাধারণ দায়িত্ব ও কর্তব্য
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর প্রতীক্ষাকারীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য কেবল গায়বাতের যুগের জন্য বিশেষ নয়; বরং অনেক ক্ষেত্রে এগুলো উল্লেখ করা হয়েছে মূলত গুরুত্ব আরোপের উদ্দেশ্যে। অর্থাৎ এসব দায়িত্ব সব সময়ের জন্য প্রযোজ্য হলেও গায়েবতের যুগে এর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৬
শিয়া সংস্কৃতিতে সত্যিকারের প্রতীক্ষাকারীদের মর্যাদা ও মাকাম
গায়বাতের যুগে বিরাজমান বিশেষ পরিস্থিতির কারণে, যদি মানুষ সত্যিকারের প্রতীক্ষাকারী হয়, তবে তারা অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী হবে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৬
শিয়া সংস্কৃতিতে সত্যিকারের প্রতীক্ষাকারীদের মর্যাদা ও মাকাম
গায়বাতের যুগে বিরাজমান বিশেষ পরিস্থিতির কারণে, যদি মানুষ সত্যিকারের প্রতীক্ষাকারী হয়, তবে তারা অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী হবে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৫
শিয়া সংস্কৃতিতে ‘প্রতীক্ষা বা ইন্তেজার’-এর মাহাত্ম্য (চতুর্থ পর্ব)
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আবির্ভাবের প্রতীক্ষা কখনোই দায়িত্ব রহিত করে না এবং কর্ম বা আমলে বিলম্বের কোনো অনুমতি দেয় না। দ্বীনি দায়িত্ব পালনে শৈথিল্য ও উদাসীনতা কোনোভাবেই বৈধ নয়।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৪
শিয়া সংস্কৃতিতে ‘প্রতীক্ষা বা ইন্তেজার’-এর মাহাত্ম্য (তৃতীয় পর্ব)
‘ইন্তেজার’ বা প্রতীক্ষা বলতে বোঝায়— এমন এক ভবিষ্যতের জন্য অপেক্ষা করা, যা একটি পরিপূর্ণ ঐশী সমাজের সকল বৈশিষ্ট্যে পরিপূর্ণ। আর এর একমাত্র বাস্তব প্রতিফলন হলো সর্বশেষ আল্লাহপ্রদত্ত সঞ্চয়, হযরত ওলী-আসর ইমাম মাহদী (আজ্জাল্লাহু তা‘আলা ফারাজাহুশ শরীফ)-এর শাসনকাল।
-
'আদর্শ সমাজের দিকে'— ইমাম মাহদী (আ.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা — পর্ব ৪৩
শিয়া সংস্কৃতিতে ‘প্রতীক্ষা বা ইন্তেজার’-এর মাহাত্ম্য — (দ্বিতীয় পর্ব)
ধর্মীয় শিক্ষা এবং আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির এক গভীর বিশ্লেষণ। কীভাবে ধর্মীয় বাণী মানুষকে নিরাশাবাদের অন্ধকার থেকে বের করে এনে ভবিষ্যতের প্রতি আশাবাদী হতে শেখায়, সেই বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব ৪২
শিয়া সংস্কৃতিতে ‘প্রতীক্ষা বা ইন্তেজার’-এর মাহাত্ম্য— (প্রথম খন্ড)
মানুষকে জীবনের প্রতি আশাবাদী করে তোলে যে শক্তি, তার অন্যতম হলো ভবিষ্যতের প্রতি প্রত্যাশা ও আশা। এমন এক ভবিষ্যৎ, যেখানে আত্মিক ও দেহগত সব চাহিদার পূর্ণতা লাভ সম্ভব হবে। মানবজীবনের উচ্ছ্বাস, অগ্রযাত্রার ক্ষমতা ও সংগ্রাম সহ্য করার শক্তির প্রধান উৎস এই আশার আলো। যখন মানুষ সামনে উজ্জ্বল কোন পথ কল্পনা করতে পারে, তখন দুঃখ ও বিপদ তার কাছে কম কঠিন মনে হয় এবং সে দৃঢ় মনোবলে পথ চলতে থাকে।
-
আদর্শ সমাজের দিকে— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব–৪১
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর মেহেরবানী ও করুণার বহিঃপ্রকাশ
ইমাম মাহদী (আ.ফা.) তাঁর অনুসারীদের প্রতি গভীর মমতা ও ভালোবাসার কারণে তাঁদের সঙ্গে সর্বাধিক সংযোগ ও সম্পর্ক বজায় রাখেন। এই ভালোবাসা ও আন্তরিকতার কারণেই তিনি তাঁদের দুঃখ-কষ্টে শরিক হন। যেমন—একজন মা তার সন্তানের প্রতি গভীর ভালোবাসার কারণে সন্তানের অসুস্থতায় নিজেও ব্যথিত হয়ে পড়েন; আবার সন্তানের সুস্থতা ও আনন্দে নিজেও প্রফুল্ল হয়ে ওঠেন। কারণ সন্তান তার কাছে প্রাণের চেয়েও অধিক প্রিয়।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা, পর্ব– ৪০
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)— আল্লাহর অসীম রহমতের প্রতিচ্ছবি
ইমাম (আ.ফা.) যদিও পর্দার আড়ালে আছেন, তবুও তিনি এমন এক অবিরাম রহমতের মেঘ, যা সর্বদা বর্ষিত হয়ে মানুষের শুষ্ক হৃদয়কে জীবন, আশা ও প্রশান্তি দান করে। যে ব্যক্তি এই করুণা ও মহব্বতের উৎস থেকে বঞ্চিত থাকে, প্রকৃতপক্ষে সে-ই সবচেয়ে বড় বঞ্চিত।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা), পর্ব– ৩৯
বেলায়াতে ফকিহর দলিল (নাকলি বা দালিলিক প্রমাণ – ২য় খণ্ড)
ফকীহের অভিভাবকত্ব (ولاية الفقيه) প্রমাণের জন্য ফকীহগণ যে বর্ণনাগুলোর উপর নির্ভর করেছেন, তার মধ্যে একটি হলো উমর ইবনে হানযালাহ (عمر بن حنظلة) বর্ণিত একটি রেওয়ায়েত।
-
আদর্শ সমাজের দিকে”– ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা), পর্ব- ৩৮
বেলায়াতে ফকিহর দলিল (নাকলি বা দালিলিক প্রমাণ)
ইসলামী আইনবিদের নেতৃত্ব বা বেলায়েতে ফকীহ প্রতিষ্ঠার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাকলি দলিল (কুরআন ও হাদিস-ভিত্তিক প্রমাণ) হলো ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর একটি পত্র (তাওকীʿ)। এই পত্রে ইমাম মাহদী (আ.ফা.) শিয়াদেরকে গায়েবাতের যুগে উদ্ভূত সমস্যা ও বিষয়ে ‘আমাদের হাদিসের বর্ণনাকারীদের’ কাছে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। নিচে এই দলিল ও তার ব্যাখ্যা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে”– ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা), পর্ব- ৩৭
বেলায়েতে ফকিহের দলিল (আকলি বা বুদ্ধিবৃত্তিক প্রমাণ)
বেলায়েতে ফকিহের প্রমাণ দুই দিক থেকে বিশ্লেষণযোগ্য: ১. আকলি (বুদ্ধিবৃত্তিক যুক্তি) ২. নাকলি (কুরআন ও হাদিসভিত্তিক বর্ণনা) অর্থাৎ, একদিকে মানববুদ্ধি একজন মুসলমানকে গায়েবাতের যুগে একজন যোগ্য ফকিহের আনুগত্য করতে নির্দেশ দেয়, অন্যদিকে ইসলামী বর্ণনাসমূহও এই নেতৃত্বকে সমর্থন করে।
-
ইমাম মাহদীর (আ.) সংক্ষিপ্ত জীবনী
ইমাম মাহদী (আ.) এর জন্ম সম্পর্কে ঐ সময়ের মুসলমানরা এমনকি শাসকরা পর্যন্ত জানতো যে, ইমাম আসকারী (আ.) এর ঔরসে এক মহামানব জন্ম গ্রহন করবেন।
سایر اخبار
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব- ৫৪
আহলুস সুন্নাহর উৎসসমূহে মাহদাভিয়াত
মাহদাভিয়াতের বিশ্বাস এবং ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর বিশ্বব্যাপী ন্যায়ভিত্তিক আন্দোলনের প্রত্যাশা ইসলামী আকীদার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক অধ্যায়। কিছু মানুষের ধারণার বিপরীতে, এ বিশ্বাস কেবল শিয়া মাযহাবের একান্ত নিজস্ব বিষয় নয়; বরং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুস্পষ্ট ভবিষ্যদ্বাণী ও সুসংবাদের ভিত্তিতে ইসলামী উম্মাহর বিভিন্ন মাযহাব ও চিন্তাধারার মধ্যে সুপ্রতিষ্ঠিত একটি বিশ্বাস।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব ৫২
পবিত্র কুরআনে মাহদাভিয়াত (চতুর্থ খন্ড)
আল্লাহ তাআলা পৃথিবীতে নির্বাচিত মুমিন ও সৎকর্মপরায়ণদের জন্য শাসন প্রতিষ্ঠা, দ্বীনের বিজয় ও পূর্ণ নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন; তবে এই গোষ্ঠী কারা—এ নিয়ে তাফসিরবিদদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব ৫১
পবিত্র কুরআনে মাহদাভিয়াত (তৃতীয় পর্ব)
পবিত্র কুরআনের কিছু আয়াত ইঙ্গিত করে যে, শেষপর্যায়ে নিপীড়িতরা (মুস্তায‘আফ) অত্যাচারীদের ওপর বিজয়ী হবে এবং শেষ পর্যন্ত পৃথিবী যোগ্য ও সৎ লোকদের হাতে ন্যস্ত হবে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব ৫০
পবিত্র কুরআনে মাহদাভিয়াত (দ্বিতীয় খন্ড)
শুধুমাত্র ‘মুস্তায‘আফ’ (নিপীড়িত বা দুর্বল অবস্থায় থাকা) হওয়াই শত্রুর ওপর বিজয় ও পৃথিবীতে শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যথেষ্ট নয়; বরং এর সঙ্গে দৃঢ় ঈমান ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন অপরিহার্য। পৃথিবীর নিপীড়িত জনগোষ্ঠী যতদিন পর্যন্ত এই দুই মূলনীতিকে বাস্তবে প্রতিষ্ঠিত না করবে, ততদিন তারা পৃথিবীর শাসনভার লাভ করতে পারবে না।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৯
পবিত্র কুরআনে মাহদাভিয়াত (প্রথম খন্ড)
পবিত্র কুরআন মাজীদে ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আবির্ভাব ও কিয়াম সম্পর্কে সামগ্রিকভাবে আলোচনা করা হয়েছে এবং বিশ্বব্যাপী ন্যায়ভিত্তিক শাসন প্রতিষ্ঠা ও সৎকর্মপরায়ণদের বিজয়ের সুসংবাদ প্রদান করা হয়েছে। শিয়া মুফাসসিরগণ এবং আহলে সুন্নতের কিছু মুফাসসির—আহলে বাইত (আ.)-এর রেওয়াত ও ইসলামী চিন্তাবিদদের মতামতের ভিত্তিতে—এ ধরনের আয়াতসমূহকে ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে বিবেচনা করেছেন।
-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা — পর্ব ৪৮
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর জন্য প্রতীক্ষাকারীদের বিশেষ দায়িত্ব ও কর্তব্য
বর্তমান সময়ে এমন মানুষের অভাব নেই, যারা বিভিন্ন কারণে গায়েব বা দৃষ্টির আড়ালে থাকা ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর প্রতি বিশ্বাস ও তাঁর স্মরণকে সহ্য করতে পারে না এবং এ পথে নানাবিধ অপচেষ্টা চালায়। অথচ ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো—বিপদ ও দুর্দশার সময় ধৈর্য ধারণ করা। তাই এই যুগে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আমাদের উচিত এসব কষ্ট ও প্রতিকূলতার মুখে আরও বেশি ধৈর্যশীল থাকা।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৭
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর প্রতীক্ষাকারীদের সাধারণ দায়িত্ব ও কর্তব্য
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর প্রতীক্ষাকারীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য কেবল গায়বাতের যুগের জন্য বিশেষ নয়; বরং অনেক ক্ষেত্রে এগুলো উল্লেখ করা হয়েছে মূলত গুরুত্ব আরোপের উদ্দেশ্যে। অর্থাৎ এসব দায়িত্ব সব সময়ের জন্য প্রযোজ্য হলেও গায়েবতের যুগে এর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৬
শিয়া সংস্কৃতিতে সত্যিকারের প্রতীক্ষাকারীদের মর্যাদা ও মাকাম
গায়বাতের যুগে বিরাজমান বিশেষ পরিস্থিতির কারণে, যদি মানুষ সত্যিকারের প্রতীক্ষাকারী হয়, তবে তারা অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী হবে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৬
শিয়া সংস্কৃতিতে সত্যিকারের প্রতীক্ষাকারীদের মর্যাদা ও মাকাম
গায়বাতের যুগে বিরাজমান বিশেষ পরিস্থিতির কারণে, যদি মানুষ সত্যিকারের প্রতীক্ষাকারী হয়, তবে তারা অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী হবে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৫
শিয়া সংস্কৃতিতে ‘প্রতীক্ষা বা ইন্তেজার’-এর মাহাত্ম্য (চতুর্থ পর্ব)
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আবির্ভাবের প্রতীক্ষা কখনোই দায়িত্ব রহিত করে না এবং কর্ম বা আমলে বিলম্বের কোনো অনুমতি দেয় না। দ্বীনি দায়িত্ব পালনে শৈথিল্য ও উদাসীনতা কোনোভাবেই বৈধ নয়।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৪
শিয়া সংস্কৃতিতে ‘প্রতীক্ষা বা ইন্তেজার’-এর মাহাত্ম্য (তৃতীয় পর্ব)
‘ইন্তেজার’ বা প্রতীক্ষা বলতে বোঝায়— এমন এক ভবিষ্যতের জন্য অপেক্ষা করা, যা একটি পরিপূর্ণ ঐশী সমাজের সকল বৈশিষ্ট্যে পরিপূর্ণ। আর এর একমাত্র বাস্তব প্রতিফলন হলো সর্বশেষ আল্লাহপ্রদত্ত সঞ্চয়, হযরত ওলী-আসর ইমাম মাহদী (আজ্জাল্লাহু তা‘আলা ফারাজাহুশ শরীফ)-এর শাসনকাল।
-
'আদর্শ সমাজের দিকে'— ইমাম মাহদী (আ.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা — পর্ব ৪৩
শিয়া সংস্কৃতিতে ‘প্রতীক্ষা বা ইন্তেজার’-এর মাহাত্ম্য — (দ্বিতীয় পর্ব)
ধর্মীয় শিক্ষা এবং আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির এক গভীর বিশ্লেষণ। কীভাবে ধর্মীয় বাণী মানুষকে নিরাশাবাদের অন্ধকার থেকে বের করে এনে ভবিষ্যতের প্রতি আশাবাদী হতে শেখায়, সেই বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব ৪২
শিয়া সংস্কৃতিতে ‘প্রতীক্ষা বা ইন্তেজার’-এর মাহাত্ম্য— (প্রথম খন্ড)
মানুষকে জীবনের প্রতি আশাবাদী করে তোলে যে শক্তি, তার অন্যতম হলো ভবিষ্যতের প্রতি প্রত্যাশা ও আশা। এমন এক ভবিষ্যৎ, যেখানে আত্মিক ও দেহগত সব চাহিদার পূর্ণতা লাভ সম্ভব হবে। মানবজীবনের উচ্ছ্বাস, অগ্রযাত্রার ক্ষমতা ও সংগ্রাম সহ্য করার শক্তির প্রধান উৎস এই আশার আলো। যখন মানুষ সামনে উজ্জ্বল কোন পথ কল্পনা করতে পারে, তখন দুঃখ ও বিপদ তার কাছে কম কঠিন মনে হয় এবং সে দৃঢ় মনোবলে পথ চলতে থাকে।
-
আদর্শ সমাজের দিকে— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব–৪১
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর মেহেরবানী ও করুণার বহিঃপ্রকাশ
ইমাম মাহদী (আ.ফা.) তাঁর অনুসারীদের প্রতি গভীর মমতা ও ভালোবাসার কারণে তাঁদের সঙ্গে সর্বাধিক সংযোগ ও সম্পর্ক বজায় রাখেন। এই ভালোবাসা ও আন্তরিকতার কারণেই তিনি তাঁদের দুঃখ-কষ্টে শরিক হন। যেমন—একজন মা তার সন্তানের প্রতি গভীর ভালোবাসার কারণে সন্তানের অসুস্থতায় নিজেও ব্যথিত হয়ে পড়েন; আবার সন্তানের সুস্থতা ও আনন্দে নিজেও প্রফুল্ল হয়ে ওঠেন। কারণ সন্তান তার কাছে প্রাণের চেয়েও অধিক প্রিয়।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা, পর্ব– ৪০
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)— আল্লাহর অসীম রহমতের প্রতিচ্ছবি
ইমাম (আ.ফা.) যদিও পর্দার আড়ালে আছেন, তবুও তিনি এমন এক অবিরাম রহমতের মেঘ, যা সর্বদা বর্ষিত হয়ে মানুষের শুষ্ক হৃদয়কে জীবন, আশা ও প্রশান্তি দান করে। যে ব্যক্তি এই করুণা ও মহব্বতের উৎস থেকে বঞ্চিত থাকে, প্রকৃতপক্ষে সে-ই সবচেয়ে বড় বঞ্চিত।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা), পর্ব– ৩৯
বেলায়াতে ফকিহর দলিল (নাকলি বা দালিলিক প্রমাণ – ২য় খণ্ড)
ফকীহের অভিভাবকত্ব (ولاية الفقيه) প্রমাণের জন্য ফকীহগণ যে বর্ণনাগুলোর উপর নির্ভর করেছেন, তার মধ্যে একটি হলো উমর ইবনে হানযালাহ (عمر بن حنظلة) বর্ণিত একটি রেওয়ায়েত।
-
আদর্শ সমাজের দিকে”– ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা), পর্ব- ৩৮
বেলায়াতে ফকিহর দলিল (নাকলি বা দালিলিক প্রমাণ)
ইসলামী আইনবিদের নেতৃত্ব বা বেলায়েতে ফকীহ প্রতিষ্ঠার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাকলি দলিল (কুরআন ও হাদিস-ভিত্তিক প্রমাণ) হলো ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর একটি পত্র (তাওকীʿ)। এই পত্রে ইমাম মাহদী (আ.ফা.) শিয়াদেরকে গায়েবাতের যুগে উদ্ভূত সমস্যা ও বিষয়ে ‘আমাদের হাদিসের বর্ণনাকারীদের’ কাছে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। নিচে এই দলিল ও তার ব্যাখ্যা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে”– ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা), পর্ব- ৩৭
বেলায়েতে ফকিহের দলিল (আকলি বা বুদ্ধিবৃত্তিক প্রমাণ)
বেলায়েতে ফকিহের প্রমাণ দুই দিক থেকে বিশ্লেষণযোগ্য: ১. আকলি (বুদ্ধিবৃত্তিক যুক্তি) ২. নাকলি (কুরআন ও হাদিসভিত্তিক বর্ণনা) অর্থাৎ, একদিকে মানববুদ্ধি একজন মুসলমানকে গায়েবাতের যুগে একজন যোগ্য ফকিহের আনুগত্য করতে নির্দেশ দেয়, অন্যদিকে ইসলামী বর্ণনাসমূহও এই নেতৃত্বকে সমর্থন করে।
-
ইমাম মাহদীর (আ.) সংক্ষিপ্ত জীবনী
ইমাম মাহদী (আ.) এর জন্ম সম্পর্কে ঐ সময়ের মুসলমানরা এমনকি শাসকরা পর্যন্ত জানতো যে, ইমাম আসকারী (আ.) এর ঔরসে এক মহামানব জন্ম গ্রহন করবেন।