-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব- ৬৬
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আবির্ভাব ও শাসনব্যবস্থায় নারীদের ভূমিকা ও অবস্থান | শেষ পর্ব
ইতিহাস এমন সব নারীর উপস্থিতির সাক্ষ্য বহন করে, যাদের হৃদয় ঈমান ও আল্লাহ্র পরিচয়ের আলোয় পরিশুদ্ধ ও দীপ্তিমান হয়েছিল। এই ঈমান ও মারিফাতের বরকতেই তারা আল্লাহ্র সর্বশেষ মনোনীত প্রতিনিধি, শেষ যুগের ঐশী হুজ্জতের সহচর এবং ‘রজআত’কারীদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন কিংবা করবেন।
-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব- ৬৫
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)’র আবির্ভাব ও শাসনব্যবস্থায় নারীদের ভূমিকা ও অবস্থান | পর্ব- ২
ইসলামি সমাজে নারীর ভূমিকা এবং ঐশী লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নের প্রসঙ্গে, কুরআন মাজিদে নারীদের জন্য কিছু সাধারণ দায়িত্ব যেমন—আল্লাহভীতি (তাকওয়া), সৎকাজের আদেশ, অসৎকাজের নিষেধ, পবিত্রতা ও নৈতিকতা রক্ষা ইত্যাদি উল্লেখ করা হয়েছে। তবে যে বিষয়টি উপেক্ষা করা উচিত নয়, তা হলো—ঐশী লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথে নারীদের একটি বিশেষ ও অনন্য ভূমিকা রয়েছে।
-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব- ৬৪
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আবির্ভাব ও শাসনব্যবস্থায় নারীদের ভূমিকা ও অবস্থান (প্রথম পর্ব)
নারীরাও সমাজের পুরুষদের মতোই আল্লাহর নির্ধারিত লক্ষ্য বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া ঐশী প্রতিশ্রুতির পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। এ কারণেই মহান আল্লাহ নারী ও পুরুষ উভয়কেই আধ্যাত্মিক ও নৈতিক মূল্যবোধে সজ্জিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। কারণ, কেবল সৎ ও যোগ্য মানুষ এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজই পৃথিবীর প্রকৃত উত্তরাধিকারী হতে পারে।
-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব– ৬৩
পশ্চিমা বিশ্ব ও মাহদাভিয়াত (শেষ পর্ব)
ইসলামের প্রতিশ্রুত শেষযুগের ত্রাণকর্তাকে বিশ্ববাসীর সামনে সহিংস ও ভীতিকর চরিত্র হিসেবে উপস্থাপন করা—এটি পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন চলচ্চিত্র, বই, উপন্যাস, ভিডিও গেম, সংগীত ও বক্তৃতায় একটি অভিন্ন প্রবণতা হিসেবে দেখা যায়। অথচ মুসলিম বিশ্বাস অনুযায়ী, পবিত্র কোরআনের বহু আয়াতে মহান আল্লাহ মানবজাতির সেই প্রতিশ্রুত ত্রাণকর্তার আবির্ভাব, ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠা এবং জুলুম-অত্যাচার ও দুর্নীতির অবসানের সুসংবাদ দিয়েছেন। আর আল্লাহ কখনোই তাঁর অঙ্গীকার ভঙ্গ করেন না।
-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব– ৬২
পশ্চিমা বিশ্ব ও মাহদাভিয়াত (খন্ড–২)
মিডিয়া আধুনিক বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মাধ্যমগুলোর একটি। এটি কেবল মানুষের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে না, বরং মানুষের সংস্কৃতি, সামাজিক মূল্যবোধ, মানদণ্ড এবং আচরণ নির্ধারণের ভিত্তিগুলোকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব– ৬১
পশ্চিমা বিশ্ব ও মাহদাভিয়াত (পর্ব–১)
ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত “একজন মুক্তিদাতার আগমন” ধারণার কারণে, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও জুলুমের অবসান—এ ধরনের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিল রেখে বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষ নিজ নিজ বিশ্বাস অনুযায়ী একজন ত্রাণকর্তার আগমনের প্রতি সবসময়ই আগ্রহী হয়ে থাকে। নিঃসন্দেহে এই আগ্রহের মাত্রা বিভিন্ন কারণের ওপর নির্ভরশীল। এর মধ্যে গণমাধ্যম (মিডিয়া) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা মানুষের এই আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশা গঠনে গভীর প্রভাব ফেলে।
-
একটি আদর্শ সমাজের দিকে— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব- ৬০
ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ভ্রান্তধারার পরিণতি ও তা মোকাবেলার উপায়
ধর্মীয় শিক্ষার বিরুদ্ধে অসংখ্য শত্রুতা ও ষড়যন্ত্র থাকা সত্ত্বেও মাহদাভিয়াতের প্রতি মানুষের আগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বুদ্ধিবৃত্তিক ও আবেগীয় উভয় ক্ষেত্রেই এ বিষয়ে মানুষের প্রয়োজনবোধ ক্রমাগত বাড়ছে। নিঃসন্দেহে এটি অত্যন্ত সৌভাগ্যের বিষয়। তবে এর পাশাপাশি কিছু ভ্রান্ত ও বিভ্রান্তধারাও আত্মপ্রকাশ করছে, যা কিছু সময়ের জন্য সরলমনা বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মানুষকে প্রভাবিত করছে।
-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব- ৫৯
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)’র মিথ্যা প্রতিনিধিত্বের দাবি
নিঃসন্দেহে, যে বিশ্বাস সত্যের যত বেশি নিকটবর্তী এবং মানুষের হৃদয়ে যত গভীরভাবে স্থান করে নেয়, স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী তত বেশি সেটিকে অপব্যবহারের চেষ্টা করে। মাহদাভিয়াতের শিক্ষা তার অনন্য বৈশিষ্ট্য, গভীর আকর্ষণ এবং মানুষের অন্তরে সুদৃঢ় প্রভাব বিস্তারের কারণে যুগে যুগে অসৎ ও পথভ্রষ্ট লোকদের অপব্যবহারের শিকার হয়েছে।
-
একটি আদর্শ সমাজের দিকে— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব- ৫৮
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আবির্ভাব-পূর্ব আন্দোলনসমূহ
কিছু মানুষ কিছু বিচ্ছিন্ন রেওয়ায়েত ও তার বাহ্যিক অর্থের ভিত্তিতে ধারণা করেছেন যে, ইমাম যামান মুহাম্মাদ আল মাহদী (আ.ফা.)’র আবির্ভাবের পূর্বে জালিম শাসকদের বিরুদ্ধে যেকোনো আন্দোলন ও প্রতিরোধ নিষিদ্ধ। এ কারণেই তারা ন্যায়বিচার ও ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বানকেও “তাগুতী আন্দোলন” বলে আখ্যায়িত করে থাকে।
-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব- ৫৭
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর তাওকী‘আত তথা লিখিত নির্দেশনাবলি
আকীদাগত প্রশ্নের সমাধান, সংশয় নিরসন এবং দ্বীনি দিকনির্দেশনা প্রদানের ক্ষেত্রে ইমাম মাহদী (আজ্জাল্লাহু তাআলা ফারাজাহুশ শরীফ)-এর তাওকী‘আত বা লিখিত নির্দেশনাবলি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে প্রেরিত এসব পত্র ও উত্তর শিয়াদের জন্য হিদায়াত ও নির্দেশনার গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচিত।
-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব ৫৬
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-কে চেনার উপায়
মহান আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদত ও আনুগত্যের জন্য। আর প্রকৃত ইবাদতের ভিত্তি হলো আল্লাহর সঠিক পরিচয় ও মারিফাত অর্জন। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এবং তাঁর মনোনীত উত্তরসূরিদের (আ.) পরিচয় লাভের মাধ্যমে এই মারিফাতের পরিপূর্ণতা লাভ হয়। বিশেষ করে, যুগের ইমাম ও আল্লাহর সর্বশেষ হুজ্জাত, ইমাম মাহদী (আজ্জাল্লাহু তাআলা ফারাজাহুশ শরীফ)-কে চেনা প্রত্যেক মুমিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব- ৫৫
মাহদাভিয়াত বিষয়ে সুন্নি ও শিয়া মাজহাবের সাধারণ ঐক্যমত
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত ও শিয়া উভয় সম্প্রদায়ই বহু হাদিসে “মাহদাভিয়াত” বা হযরত ইমাম মাহদী (আ.ফা.)–এর আবির্ভাব সম্পর্কিত আকীদাকে স্বীকার করেছে। যদিও কিছু ক্ষেত্রে ব্যাখ্যাগত পার্থক্য বিদ্যমান, তবে মৌলিক বহু বিষয়ে উভয় মতের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঐক্য রয়েছে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব- ৫৪
আহলুস সুন্নাহর উৎসসমূহে মাহদাভিয়াত
মাহদাভিয়াতের বিশ্বাস এবং ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর বিশ্বব্যাপী ন্যায়ভিত্তিক আন্দোলনের প্রত্যাশা ইসলামী আকীদার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক অধ্যায়। কিছু মানুষের ধারণার বিপরীতে, এ বিশ্বাস কেবল শিয়া মাযহাবের একান্ত নিজস্ব বিষয় নয়; বরং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুস্পষ্ট ভবিষ্যদ্বাণী ও সুসংবাদের ভিত্তিতে ইসলামী উম্মাহর বিভিন্ন মাযহাব ও চিন্তাধারার মধ্যে সুপ্রতিষ্ঠিত একটি বিশ্বাস।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব ৫৩
পবিত্র কুরআনে মাহদাভিয়াত (৫ম ও শেষ খন্ড)
কুরআনের আয়াতসমূহে কখনো বাহ্যিক (জাহির) ও অভ্যন্তরীণ (বাতেন) উভয় ধরনের অর্থ বিদ্যমান থাকে। এই গভীর অর্থের জ্ঞান কেবল নবী মুহাম্মদ (সা.), ইমামগণ (আ.) এবং আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন, তারাই লাভ করেন।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব ৫২
পবিত্র কুরআনে মাহদাভিয়াত (চতুর্থ খন্ড)
আল্লাহ তাআলা পৃথিবীতে নির্বাচিত মুমিন ও সৎকর্মপরায়ণদের জন্য শাসন প্রতিষ্ঠা, দ্বীনের বিজয় ও পূর্ণ নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন; তবে এই গোষ্ঠী কারা—এ নিয়ে তাফসিরবিদদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব ৫১
পবিত্র কুরআনে মাহদাভিয়াত (তৃতীয় পর্ব)
পবিত্র কুরআনের কিছু আয়াত ইঙ্গিত করে যে, শেষপর্যায়ে নিপীড়িতরা (মুস্তায‘আফ) অত্যাচারীদের ওপর বিজয়ী হবে এবং শেষ পর্যন্ত পৃথিবী যোগ্য ও সৎ লোকদের হাতে ন্যস্ত হবে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব ৫০
পবিত্র কুরআনে মাহদাভিয়াত (দ্বিতীয় খন্ড)
শুধুমাত্র ‘মুস্তায‘আফ’ (নিপীড়িত বা দুর্বল অবস্থায় থাকা) হওয়াই শত্রুর ওপর বিজয় ও পৃথিবীতে শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যথেষ্ট নয়; বরং এর সঙ্গে দৃঢ় ঈমান ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন অপরিহার্য। পৃথিবীর নিপীড়িত জনগোষ্ঠী যতদিন পর্যন্ত এই দুই মূলনীতিকে বাস্তবে প্রতিষ্ঠিত না করবে, ততদিন তারা পৃথিবীর শাসনভার লাভ করতে পারবে না।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৯
পবিত্র কুরআনে মাহদাভিয়াত (প্রথম খন্ড)
পবিত্র কুরআন মাজীদে ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আবির্ভাব ও কিয়াম সম্পর্কে সামগ্রিকভাবে আলোচনা করা হয়েছে এবং বিশ্বব্যাপী ন্যায়ভিত্তিক শাসন প্রতিষ্ঠা ও সৎকর্মপরায়ণদের বিজয়ের সুসংবাদ প্রদান করা হয়েছে। শিয়া মুফাসসিরগণ এবং আহলে সুন্নতের কিছু মুফাসসির—আহলে বাইত (আ.)-এর রেওয়াত ও ইসলামী চিন্তাবিদদের মতামতের ভিত্তিতে—এ ধরনের আয়াতসমূহকে ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে বিবেচনা করেছেন।
-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা — পর্ব ৪৮
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর জন্য প্রতীক্ষাকারীদের বিশেষ দায়িত্ব ও কর্তব্য
বর্তমান সময়ে এমন মানুষের অভাব নেই, যারা বিভিন্ন কারণে গায়েব বা দৃষ্টির আড়ালে থাকা ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর প্রতি বিশ্বাস ও তাঁর স্মরণকে সহ্য করতে পারে না এবং এ পথে নানাবিধ অপচেষ্টা চালায়। অথচ ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো—বিপদ ও দুর্দশার সময় ধৈর্য ধারণ করা। তাই এই যুগে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আমাদের উচিত এসব কষ্ট ও প্রতিকূলতার মুখে আরও বেশি ধৈর্যশীল থাকা।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৭
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর প্রতীক্ষাকারীদের সাধারণ দায়িত্ব ও কর্তব্য
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর প্রতীক্ষাকারীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য কেবল গায়বাতের যুগের জন্য বিশেষ নয়; বরং অনেক ক্ষেত্রে এগুলো উল্লেখ করা হয়েছে মূলত গুরুত্ব আরোপের উদ্দেশ্যে। অর্থাৎ এসব দায়িত্ব সব সময়ের জন্য প্রযোজ্য হলেও গায়েবতের যুগে এর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৬
শিয়া সংস্কৃতিতে সত্যিকারের প্রতীক্ষাকারীদের মর্যাদা ও মাকাম
গায়বাতের যুগে বিরাজমান বিশেষ পরিস্থিতির কারণে, যদি মানুষ সত্যিকারের প্রতীক্ষাকারী হয়, তবে তারা অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী হবে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৬
শিয়া সংস্কৃতিতে সত্যিকারের প্রতীক্ষাকারীদের মর্যাদা ও মাকাম
গায়বাতের যুগে বিরাজমান বিশেষ পরিস্থিতির কারণে, যদি মানুষ সত্যিকারের প্রতীক্ষাকারী হয়, তবে তারা অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী হবে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৫
শিয়া সংস্কৃতিতে ‘প্রতীক্ষা বা ইন্তেজার’-এর মাহাত্ম্য (চতুর্থ পর্ব)
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আবির্ভাবের প্রতীক্ষা কখনোই দায়িত্ব রহিত করে না এবং কর্ম বা আমলে বিলম্বের কোনো অনুমতি দেয় না। দ্বীনি দায়িত্ব পালনে শৈথিল্য ও উদাসীনতা কোনোভাবেই বৈধ নয়।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৪
শিয়া সংস্কৃতিতে ‘প্রতীক্ষা বা ইন্তেজার’-এর মাহাত্ম্য (তৃতীয় পর্ব)
‘ইন্তেজার’ বা প্রতীক্ষা বলতে বোঝায়— এমন এক ভবিষ্যতের জন্য অপেক্ষা করা, যা একটি পরিপূর্ণ ঐশী সমাজের সকল বৈশিষ্ট্যে পরিপূর্ণ। আর এর একমাত্র বাস্তব প্রতিফলন হলো সর্বশেষ আল্লাহপ্রদত্ত সঞ্চয়, হযরত ওলী-আসর ইমাম মাহদী (আজ্জাল্লাহু তা‘আলা ফারাজাহুশ শরীফ)-এর শাসনকাল।
-
'আদর্শ সমাজের দিকে'— ইমাম মাহদী (আ.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা — পর্ব ৪৩
শিয়া সংস্কৃতিতে ‘প্রতীক্ষা বা ইন্তেজার’-এর মাহাত্ম্য — (দ্বিতীয় পর্ব)
ধর্মীয় শিক্ষা এবং আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির এক গভীর বিশ্লেষণ। কীভাবে ধর্মীয় বাণী মানুষকে নিরাশাবাদের অন্ধকার থেকে বের করে এনে ভবিষ্যতের প্রতি আশাবাদী হতে শেখায়, সেই বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব ৪২
শিয়া সংস্কৃতিতে ‘প্রতীক্ষা বা ইন্তেজার’-এর মাহাত্ম্য— (প্রথম খন্ড)
মানুষকে জীবনের প্রতি আশাবাদী করে তোলে যে শক্তি, তার অন্যতম হলো ভবিষ্যতের প্রতি প্রত্যাশা ও আশা। এমন এক ভবিষ্যৎ, যেখানে আত্মিক ও দেহগত সব চাহিদার পূর্ণতা লাভ সম্ভব হবে। মানবজীবনের উচ্ছ্বাস, অগ্রযাত্রার ক্ষমতা ও সংগ্রাম সহ্য করার শক্তির প্রধান উৎস এই আশার আলো। যখন মানুষ সামনে উজ্জ্বল কোন পথ কল্পনা করতে পারে, তখন দুঃখ ও বিপদ তার কাছে কম কঠিন মনে হয় এবং সে দৃঢ় মনোবলে পথ চলতে থাকে।
-
আদর্শ সমাজের দিকে— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব–৪১
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর মেহেরবানী ও করুণার বহিঃপ্রকাশ
ইমাম মাহদী (আ.ফা.) তাঁর অনুসারীদের প্রতি গভীর মমতা ও ভালোবাসার কারণে তাঁদের সঙ্গে সর্বাধিক সংযোগ ও সম্পর্ক বজায় রাখেন। এই ভালোবাসা ও আন্তরিকতার কারণেই তিনি তাঁদের দুঃখ-কষ্টে শরিক হন। যেমন—একজন মা তার সন্তানের প্রতি গভীর ভালোবাসার কারণে সন্তানের অসুস্থতায় নিজেও ব্যথিত হয়ে পড়েন; আবার সন্তানের সুস্থতা ও আনন্দে নিজেও প্রফুল্ল হয়ে ওঠেন। কারণ সন্তান তার কাছে প্রাণের চেয়েও অধিক প্রিয়।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা, পর্ব– ৪০
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)— আল্লাহর অসীম রহমতের প্রতিচ্ছবি
ইমাম (আ.ফা.) যদিও পর্দার আড়ালে আছেন, তবুও তিনি এমন এক অবিরাম রহমতের মেঘ, যা সর্বদা বর্ষিত হয়ে মানুষের শুষ্ক হৃদয়কে জীবন, আশা ও প্রশান্তি দান করে। যে ব্যক্তি এই করুণা ও মহব্বতের উৎস থেকে বঞ্চিত থাকে, প্রকৃতপক্ষে সে-ই সবচেয়ে বড় বঞ্চিত।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা), পর্ব– ৩৯
বেলায়াতে ফকিহর দলিল (নাকলি বা দালিলিক প্রমাণ – ২য় খণ্ড)
ফকীহের অভিভাবকত্ব (ولاية الفقيه) প্রমাণের জন্য ফকীহগণ যে বর্ণনাগুলোর উপর নির্ভর করেছেন, তার মধ্যে একটি হলো উমর ইবনে হানযালাহ (عمر بن حنظلة) বর্ণিত একটি রেওয়ায়েত।
-
আদর্শ সমাজের দিকে”– ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা), পর্ব- ৩৮
বেলায়াতে ফকিহর দলিল (নাকলি বা দালিলিক প্রমাণ)
ইসলামী আইনবিদের নেতৃত্ব বা বেলায়েতে ফকীহ প্রতিষ্ঠার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাকলি দলিল (কুরআন ও হাদিস-ভিত্তিক প্রমাণ) হলো ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর একটি পত্র (তাওকীʿ)। এই পত্রে ইমাম মাহদী (আ.ফা.) শিয়াদেরকে গায়েবাতের যুগে উদ্ভূত সমস্যা ও বিষয়ে ‘আমাদের হাদিসের বর্ণনাকারীদের’ কাছে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। নিচে এই দলিল ও তার ব্যাখ্যা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে”– ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা), পর্ব- ৩৭
বেলায়েতে ফকিহের দলিল (আকলি বা বুদ্ধিবৃত্তিক প্রমাণ)
বেলায়েতে ফকিহের প্রমাণ দুই দিক থেকে বিশ্লেষণযোগ্য: ১. আকলি (বুদ্ধিবৃত্তিক যুক্তি) ২. নাকলি (কুরআন ও হাদিসভিত্তিক বর্ণনা) অর্থাৎ, একদিকে মানববুদ্ধি একজন মুসলমানকে গায়েবাতের যুগে একজন যোগ্য ফকিহের আনুগত্য করতে নির্দেশ দেয়, অন্যদিকে ইসলামী বর্ণনাসমূহও এই নেতৃত্বকে সমর্থন করে।
-
ইমাম মাহদীর (আ.) সংক্ষিপ্ত জীবনী
ইমাম মাহদী (আ.) এর জন্ম সম্পর্কে ঐ সময়ের মুসলমানরা এমনকি শাসকরা পর্যন্ত জানতো যে, ইমাম আসকারী (আ.) এর ঔরসে এক মহামানব জন্ম গ্রহন করবেন।
-
আদর্শ সমাজের দিকে”– ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা), পর্ব- ৩৬
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর গায়বাতের যুগে উম্মতের নেতৃত্ব
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর গায়বাতের পর ইসলামী উম্মতের নেতৃত্ব ও ইমামতের দায়িত্ব কার ওপর ন্যস্ত? উম্মতের ওপর কারও নেতৃত্ব বা ‘ওলায়াত’ (বেলায়েত) আছে কি? যদি থাকে, তবে তার সীমা ও পরিসর কতটুকু?
-
“আদর্শ সমাজের দিকে”– ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: ৩৫
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর গায়েবাতের ধরণ
গায়েবাতের বিষয়টি ইসলামী চিন্তাধারায় শুধু একটি আকিদা নয়, বরং এক গভীর ঐতিহাসিক ও কুরআনভিত্তিক বাস্তবতা। নবী-রাসূলগণ ও আল্লাহর ওলিদের জীবনে যেমন গায়েব হওয়া বা দৃষ্টির আড়ালে থাকার উদাহরণ পাওয়া যায়, তেমনি হযরত ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর গায়েবাতও সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।
-
আদর্শ সমাজের দিকে”– ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: ৩৪
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর সাক্ষাৎ লাভ এবং নায়েব হওয়ার বিভ্রান্তিকর দাবির ব্যাখ্যা
ইতিহাসে এ বিষয়টি প্রমাণিত যে, বিশিষ্ট ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিরা ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর সান্নিধ্য ও সাক্ষাৎ লাভ করেছেন। এই কাহিনীগুলো এতই প্রামাণ্য যে সীমাহীন সংখ্যক সূত্রে তা তাওয়াতুর পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই সাক্ষাৎ প্রাপ্তির বর্ণনা বহু প্রখ্যাত ও বিশ্বস্ত গ্রন্থে যথাযথভাবে সংরক্ষিত।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে”— ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর বিষয়ে আলোচনা সংকলন: পর্ব- ৩৩
গায়বাতে কুবরার যুগে ইমাম মাহদী (আ.ফা.) কেথায় অবস্থান করছেন?
গায়বতের যুগে ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আবাসস্থল নিয়ে বহু প্রশ্ন থাকলেও ইসলামী সূত্রসমূহ জানায়, তিনি কোনো নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ নন; বরং দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে বিভিন্ন স্থানে গমনাগমন করেন। যদিও ইমামের অবস্থান বা দৈনন্দিন জীবন গোপন থাকাও যেমন সন্দেহজনক নয়, তেমনি প্রকাশ পেলেও গায়বাতের মূল সত্যে কোনো পরিবর্তন আনে না।
-
আদর্শ সমাজের দিকে”– ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা), পর্ব- ৩২
ইমামত ব্যবস্থা: আল্লাহ প্রদত্ত অবিচ্ছিন্ন ও চিরস্থায়ী শাসনব্যবস্থা
ইমামতি ব্যবস্থা হলো একটি আল্লাহ প্রদত্ত (نظام إلهي) শাসনব্যবস্থা, যা কখনোই বিচ্ছিন্ন হয়নি এবং যার মধ্যে কোনো কোনো সময়ের বিরতি (انقطاع) নেই। মহানবী মুহাম্মদ (সা.)-এর সময় থেকে শুরু হয়ে আজ পর্যন্ত এই ব্যবস্থা গঠিত ও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং আজও রয়েছে; এবং যতদিন এই দুনিয়া থাকবে, ততদিন এই ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
-
আদর্শ সমাজের দিকে”– ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা), পর্ব- ৩১
দোয়া ও জিয়ারতের আলোকে ইমাম মাহদী (আ.ফা.)’র মাকাম ও শান
আধুনিক যান্ত্রিক জীবনে আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়া অনেকের কাছেই কঠিন ও দূরবর্তী মনে হতে পারে। কিন্তু যদি আমরা আল্লাহর শেষ প্রতিনিধি—ইমাম মাহদি (আ.)-এর মর্যাদা, অবস্থান ও ভূমিকা গভীরভাবে অনুধাবন করি এবং তা হৃদয়ে ধারণ করি, তবে এ উপলব্ধিই আমাদের আত্মশুদ্ধি, নৈতিক পরিশুদ্ধি এবং আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তনের দ্বার উন্মুক্ত করে দিতে পারে।
-
আদর্শ সমাজের দিকে”– ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা), পর্ব- ৩০
দোয়া ও জিয়ারতসমূহে ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর গুণাবলী
আল্লাহর বিশেষ ওয়ালী ও সর্বশেষ হুজ্জাত—ইমাম মাহদী (আ.ফা.)—কে চিনতে হলে কেবল ঐতিহাসিক তথ্য বা ভবিষ্যদ্বাণীতে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। বরং আমাদের উচিত তাঁকে চিনতে চাওয়া সেই উৎসগুলো থেকে, যেগুলো তাঁর বাস্তব পরিচয় তুলে ধরে—যেমন: পবিত্র দোয়া, জিয়ারত ও আহলে বাইতের ইমামদের (আ.) কণ্ঠে উচ্চারিত বাক্যসমূহ। এইসব হৃদয়ছোঁয়া ভাষ্যেই আমরা খুঁজে পাই তাঁর নৈতিক ও আধ্যাত্মিক সৌন্দর্যের নিখুঁত প্রতিচ্ছবি।
-
আদর্শ সমাজের দিকে”– ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা), পর্ব- ২৯
দোআ ও জিয়ারতে মাহদাভী (আ.ফা.)
ইমাম মাহদী (আ.)-এর গায়বাতের যুগে মুসলমানদের জন্য তাঁর সঙ্গে আত্মিক সংযোগ রক্ষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো দোআ ও জিয়ারত। এই মাধ্যমগুলোর মাধ্যমে তারা শুধু ইমামের স্মরণই বজায় রাখে না, বরং তাঁর প্রতি আনুগত্য, প্রতীক্ষা এবং দ্বীনের ওপর অটল থাকার জন্যও আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করে।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে”– ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব- ২৮
নিজেদের ‘ইমাম মাহদী’ দাবিদারদের বিষয়ে সতর্কতা
মাহদাভিয়াতের শিক্ষা ও চিন্তাধারার অন্যতম গুরুতর চ্যালেঞ্জ হলো কিছু মিথ্যা দাবিদার ব্যক্তির আবির্ভাব, যারা নিজেদের ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর বিশেষ প্রতিনিধি বা তাঁর সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত কিংবা ‘নিজেকেই ইমাম মাহদী’ বলে দাবি করে।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে”–ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: ২৭
নবী, ইমাম ও খাঁটি মুমিনদের পুনরাগমন
রাজআত তথা পুনরুত্থান শিয়া মতবাদের এক মৌলিক বিশ্বাস, যার ভিত্তি কুরআন ও বিশুদ্ধ হাদিসে রয়েছে। এতে নির্দিষ্ট নবী, ইমাম ও মুমিনদের দুনিয়ায় প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে”— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক আলোচনা সিরিজ: পর্ব- ২৬
পুনরুত্থান তথা رجعت-এর কতিপয় বৈশিষ্ট্য
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর বিশ্বজনীন কিয়ামের ধারণা শিয়া মতাদর্শী মুসলমানদের একটি মূল স্তম্ভ। ইমাম মাহদী (আ.ফা.)’র কিয়ামের সঙ্গে সম্পৃক্ত আরেকটি আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ আকিদা হলো পূনরুত্থান তথা رجعت— যা একটি অলৌকিক বাস্তবতা, যেটি কিয়ামতের পূর্বে নির্দিষ্ট কিছু মুমিন ও কাফিরদের পৃথিবীতে পুনরায় ফিরিয়ে আনার ইলাহি পরিকল্পনা। এ বিশ্বাসের মূল ভিত্তি কুরআনের ইঙ্গিত, নির্ভরযোগ্য হাদিসসমূহ ও আহলে বাইতের (আ.) বর্ণনাভিত্তিক ব্যাখ্যা।
-
আদর্শ সমাজের দিকে”– ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা), পর্ব- ২৫
কুরআন ও হাদীসের আলোকে ‘رجعت (পুনরাগমন)’
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর যুহুরের যুগে কিছু নির্দিষ্ট মৃত ব্যক্তি পুনরায় দুনিয়ায় ফিরে আসবেন—এই বিশ্বাসকে ইসলামী পরিভাষায় رجعت বলা হয়। এটি শুধুমাত্র শিয়া বিশ্বাস নয়, বরং কুরআন ও নির্ভরযোগ্য হাদীসসমূহে এর স্বতন্ত্র ভিত্তি রয়েছে।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে”— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত আলোচনা সিরিজ: পর্ব ২৪
رجعت (পুনরাগমন): শিয়াদের একটি সুপ্রতিষ্ঠিত বিশ্বাস
ইসলামের আধ্যাত্মিক শিক্ষায় কিয়ামতের পরে বিচার ও প্রতিদান একটি মূল ভিত্তি হলেও শিয়া বিশ্বাস অনুযায়ী, কিছু প্রতিদান ও শাস্তি কিয়ামতের আগেই দুনিয়ায় ঘটবে। এ বিশ্বাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো رجعت বা পুনরাগমন।
-
আদর্শ সমাজের দিকে”— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক আলোচনা সংকলন: পর্ব- ২৩
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর হুকুমতের সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা
মানব ইতিহাসে অধিকাংশ শাসনব্যবস্থাই জনগণের পূর্ণ সমর্থন ও সন্তুষ্টি অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। নানা দুর্বলতা, বৈষম্য ও অবিচারের কারণে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তবে ইসলামি নির্দেশনা অনুসারে, ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর শাসন হবে এমন এক পূর্ণাঙ্গ ইনসাফভিত্তিক সরকার—যেটি শুধু দুনিয়াবাসীর নয়, আসমানবাসীদের কাছেও গ্রহণযোগ্য ও প্রশংসিত হবে।
-
আদর্শ সমাজের দিকে”– ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: ২২
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর শাসনব্যবস্থার মৌলিক নীতি
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর শাসনব্যবস্থা মূলত মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শাসনব্যবস্থারই অনুসরণ। যেভাবে রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর যুগে সবধরনের জাহেলিয়াতের (অজ্ঞতার) বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে খাঁটি ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করেন, ঠিক তেমনি ইমাম মাহদী (আ.ফা.)’ও তাঁর আগমনের পর আধুনিক জাহেলিয়াতের—যা প্রাচীন জাহেলিয়াতের চেয়েও বেদনাদায়ক—মূল উচ্ছেদ করে ইসলামী ও ঐশী মূল্যবোধগুলোকে তার ধ্বংসস্তূপের ওপর গড়ে তুলবেন।
-
আদর্শ সমাজের দিকে”– ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: ২১
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর শাসনব্যবস্থার পরিসর ও তার রাজধানী
মানবজাতির ইতিহাসের সর্বশেষ আধ্যাত্মিক ও ন্যায়ভিত্তিক শাসনব্যবস্থার প্রতীক হিসেবে ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আবির্ভাবের বিষয়ে শুধু শিয়া ইসলামেই নয়, বরং ইসলামের প্রধান সব মাজহাবে বিস্তৃত হাদীস ও বর্ণনা বিদ্যমান। বিভিন্ন সহিহ রেওয়ায়েতের ভিত্তিতে এটা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর শাসন হবে একটি বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা।
-
“একটি আদর্শ সমাজের দিকে”— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কে আলোচনা সিরিজ: পর্ব- ২০
বিশ্বব্যাপী ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর শাসনামলের সময়কাল
ইমাম মাহদী (আ.ফা.) প্রতিষ্ঠিত ন্যায়ভিত্তিক ব্যবস্থা এমন একটি সরকার যা তার পরে আর কোনো সরকার থাকবে না। বাস্তবে, এটি মানবজাতির জন্য একটি নতুন ইতিহাসের সূচনা হবে যা সম্পূর্ণভাবে ঐশ্বরিক সার্বভৌমত্বের অধীনে পরিচালিত হবে।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে”— ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর বিষয়ে আলোচনা সংকলন: পর্ব- ১৯
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর শাসনামলে বহুল প্রত্যাশিত অর্জনসমূহ
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর সরকারব্যবস্থার অর্জনগুলো অত্যন্ত বিস্ময়কর ও তাৎপর্যপূর্ণ। এক কথায় বলা যায়, এই অর্জনসমূহ মানুষের যাবতীয় আত্মিক ও জাগতিক চাহিদার পূর্ণ উত্তর, যা মহান আল্লাহ মানবজাতির ভেতর আমানত হিসেবে রেখে দিয়েছেন।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে”— ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর বিষয়ে আলোচনা সংকলন: পর্ব- ১৭
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর হুকুমতের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যসমূহ
মানুষ দেহ এবং আত্মার সমন্বয়ে গঠিত এক বিস্ময়কর সত্তা। তার প্রয়োজনসমূহও এই দুইটি দিকেই বিস্তৃত—ভৌতিক ও আধ্যাত্মিক। প্রকৃত পরিপূর্ণতায় পৌঁছাতে হলে তাকে অবশ্যই এই দুইটি অঙ্গনে সমানভাবে, সচেতন ও পরিকল্পিত অগ্রসর হতে হবে।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে”— ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর বিষয়ে আলোচনা সংকলন: পর্ব- ১৬
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)’র আবির্ভাবের সময় গোপন রাখার রহস্য
নিঃসন্দেহে গঠনমূলক প্রতীক্ষা - যা কর্মচাঞ্চল্য ও সামাজিক গতিশীলতার সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণা - কেবলমাত্র ইমামের আবির্ভাবের সময় গোপন রাখার মাধ্যমেই তার পূর্ণতা লাভ করে।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে”— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত আলোচনা সিরিজ: পর্ব- ১৫
ইমাম মাহদী (আ.ফা.) কখন আবির্ভাব করবেন?
কিছু বিভ্রান্ত ব্যক্তি শয়তানের প্ররোচনায় ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আবির্ভাবের সময় নির্ধারণের অপচেষ্টা চালিয়ে থাকে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, অতীতেও এমন অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ব্যক্তির অস্তিত্ব ছিল এবং ভবিষ্যতেও এরকম লোকের আবির্ভাব ঘটবে। এ প্রসঙ্গে আহলে বাইতের ইমামগণ (আ.) আমাদেরকে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন যে, সময় নির্ধারণকারীদের দাবিকে কখনো গ্রহণ করা যাবে না। যারা এমনি করে, তাদেরকে অবজ্ঞা বা উপেক্ষা না করে স্পষ্টভাবে মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে হবে। এ ধরনের দাবি ইসলামী শিক্ষার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে”— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত আলোচনার সিরিজ: পর্ব- ১৪
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আত্মপ্রকাশের আলামতসমূহ
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আত্মপ্রকাশের লক্ষণসমূহ মুসলিম সমাজে দীর্ঘদিন ধরে আশা ও প্রতীক্ষার প্রতীক। পবিত্র কুরআন ও হাদীসে এই আগমনের ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে। ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আত্মপ্রকাশের পূর্বলক্ষণসমূহ আশার আলো নিয়ে আসে; এগুলোর প্রতিটির বাস্তবায়ন অপেক্ষারত হৃদয়গুলোর জন্য আশা আরও উজ্জ্বল করে তোলে, আবার বিরুদ্ধবাদী ও বিভ্রান্তদের জন্য সতর্কতা ও শিক্ষা স্বরূপ কাজ করে।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে”— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত আলোচনার সিরিজ: পর্ব- ১৩
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আবির্ভাবের শর্ত ও পটভূমি
প্রতিটি ঘটনা বা বস্তুই তার শর্ত ও পটভূমি পূরণ হওয়ার পরেই অস্তিত্ব লাভ করে। কোনো শর্ত পূরণ ছাড়া কোনো কিছুরই অস্তিত্ব সম্ভব নয়।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে”—ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর জীবন সম্পর্কিত আলোচনা সিরিজ: পর্ব- ১২
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)’র দীর্ঘায়ুর রহস্য
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর জীবন সম্পর্কিত আলোচনার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাঁর দীর্ঘ জীবন।
-
-
“আদর্শ সমাজের দিকে”— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত আলোচনা সিরিজ: পর্ব- ১১
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)’র গায়েবাত— যেন মেঘের আড়ালে সূর্য
গায়েবাত ইমামের (আ.ফা.) অস্তিত্বের প্রয়োজনীয়তার দর্শনকে বাতিল করে না; কারণ গায়েবাতের সময়েও ইমাম বিদ্যমান থাকেন এবং তাঁর কল্যাণ অন্যদের কাছে পৌঁছায়। কেবলমাত্র কিছু কল্যাণ মানুষের নিজেদের ত্রুটির কারণে গায়েবাতের সময় তাদের কাছে পৌঁছায় না। আর এজন্যই মানুষকে প্রস্তুতির মাধ্যমে ইমামের আবির্ভাবের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে”— ইমাম মাহদী (আ.)-সংক্রান্ত আলোচনা সিরিজ: পর্ব- ১০
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর গায়বাতের উপকারিতা!
মহাবিশ্বে ইমামের অবস্থান কী? তাঁর সমস্ত অস্তিত্বগত প্রভাব কি তাঁর দৃশ্যমানতার উপর নির্ভরশীল? তিনি কি কেবল মানবজাতির নেতৃত্বের জন্যই নিযুক্ত, নাকি তাঁর অস্তিত্ব সমগ্র সৃষ্টিজগতের জন্য কল্যাণকর?
-
“আদর্শ সমাজের দিকে”— ইমাম মাহদী (আ.) সম্পর্কিত আলোচনা সিরিজ: পর্ব- ৯
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর গায়েবাতের প্রকারভেদ
গায়েবাতে সুগরা’রর সময়কালে চার বিশেষ নায়েবের (নাওয়াবুল আরবা’আ) সাথে যোগাযোগ এবং কিছু মুমিনের ইমামে যামানা (আ.ফা.)-এর সাক্ষাত লাভ, দ্বাদশ ইমামের অস্তিত্ব ও ইমাম হাসান আল-আসকারী (আ.)-এর সন্তান জন্মগ্রহণ সম্পর্কিত ঐশী হুজ্জাতের সত্যতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। এই ঐতিহাসিক সত্যতা প্রতিষ্ঠা ঘটেছিল ঠিক সেই সংকটময় মুহূর্তে যখন আব্বাসীয় শাসকগোষ্ঠী ও তাদের সহযোগীরা ইমাম আসকারী (আ.)-এর কোনো সন্তান নেই বলে শিয়া সমাজে সংশয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছিল।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে” ইমাম মাহদী (আ.) সম্পর্কে আলোচনা সিরিজ: পর্ব- ৯
ইমাম মাহদী (আ.)-এর গায়েবাতের দর্শন
প্রশ্ন জাগে যে, কেন আল্লাহর হুজ্জাত ও ইমাম- মাহদী (আ.ফা.) পর্দার অন্তরালে অবস্থান করছেন? কোন কারণ মানুষকে তাঁর উপস্থিতির বরকত থেকে বঞ্চিত করেছে?
-
“আদর্শ সমাজের দিকে” (ইমাম মাহদী (আ.)-এর জীবন ও মিশন নিয়ে আলোচনা সিরিজ): পর্ব- ৭
গায়েবাতের ধারণা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
গায়েবাত বা অদৃশ্য হওয়ার ঘটনা ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর ক্ষেত্রেই প্রথম ঘটেনি। বহু হাদিস থেকে জানা যায়, অনেক নবীই তাদের জীবনের একটি অংশ গোপনে বা অদৃশ্য অবস্থায় কাটিয়েছেন। এটি ছিল আল্লাহর বিশেষ হিকমত ও কল্যাণের কারণে, ব্যক্তিগত ইচ্ছা বা পারিবারিক কারণে নয়।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে” (ইমাম মাহদী (আ.) সম্পর্কিত আলোচনা সিরিজ) - পর্ব ৬
ইমাম নিযুক্ত করা শুধুমাত্র আল্লাহর অধিকার
সমগ্র সৃষ্টিজগতের একচ্ছত্র অধিপতি হলেন আল্লাহ্, সকলেই শুধুমাত্র তাঁরই আনুগত্য করবে, সুতরাং এটি স্বতঃসিদ্ধ যে, এই কর্তৃত্ব আল্লাহ্ তাঁর ইচ্ছা ও প্রজ্ঞানুযায়ী যে কাউকে দান করতে পারেন। ঠিক যেমন নবীগণ আল্লাহ্ কর্তৃক নির্বাচিত হন, তেমনি ইমামও ঐশী নির্দেশে জনগণের নেতৃত্ব লাভ করেন।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে” (ইমাম মাহদী (আ.) সম্পর্কিত আলোচনার সংকলন)- ৫
ইমামের বৈশিষ্ট্য; “নৈতিক পরিপূর্ণতার সাথে সামাজিক ব্যবস্থাপনা এবং অলংকরণ”
ইমাম, যিনি সমাজের নেতা ও পথপ্রদর্শক, তিনি সকল প্রকার খারাপ ও নৈতিক দোষ থেকে মুক্ত থাকবেন এবং বরং সর্বোচ্চ স্তরের নৈতিক গুণাবলীতে ভূষিত হবেন। কারণ তিনি পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে তাঁর অনুসারীদের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে” (ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম সম্পর্কে আলোচনার সিরিজ) - ৪
ইমামের বৈশিষ্ট্য; “ইসমাত বা অপরাধমুক্ততা”
যদি ইমাম ভুল-ত্রুটি থেকে মুক্ত না হন, তাহলে মানুষের প্রয়োজন মেটানোর জন্য আরেকজন ইমামের প্রয়োজন হবে। আর যদি সেও ভুল থেকে মুক্ত না হয়, তাহলে আরেকজন ইমামের প্রয়োজন হবে, এবং এই ধারা অসীম পর্যন্ত চলতে থাকবে। যুক্তি অনুযায়ী, এটি একটি ভ্রান্ত ধারণা।
-
“আদর্শ সমাজের দিকে", ইমাম মাহদী (আ.) সম্পর্কিত আলোচনা সংকলন)- ৩
ইমামের বৈশিষ্ট্য, “মানুষের মধ্যে সর্বাধিক জ্ঞানী ও সচেতন ব্যক্তি”
ইমাম, যিনি মানুষের নেতৃত্ব ও পথপ্রদর্শনের দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁর জন্য প্রয়োজন ধর্মকে তার সকল দিক থেকে জানা এবং এর বিধান সম্পর্কে পূর্ণ অবগত থাকা। তাকে বিভিন্ন বিষয় ও ক্ষেত্রে মানুষের সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে এবং তাদেরকে সর্বোত্তম পদ্ধতিতে পথনির্দেশ করতে হবে।
-
"আদর্শ সমাজের দিকে" (ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম সম্পর্কিত আলোচনা সংকলন) পর্ব - ২
নবী-রাসূলগণ বিশেষত হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহিহি ওয়া সাল্লামের পর আল্লাহর বান্দাদের হিদায়াতের ধারা "ইমামত" এর মাধ্যমে অব্যাহত থাকে। পৃথিবী কখনোই আল্লাহর খলিফা (ইমাম) ছাড়া থাকেনা, যিনি মানবজাতির পথপ্রদর্শনের দায়িত্বে নিয়োজিত। কিন্তু প্রশ্ন জাগে: কুরআন ও সুন্নাহ থাকার পরও ইমামের প্রয়োজন কেন?
-
"আদর্শ সমাজের দিকে" (ইমাম মাহদী (আ.) সম্পর্কিত আলোচনার সংকলন) - ১
সবাই একজন ত্রাণকর্তার আগমনের প্রতীক্ষায়
ত্রাণকর্তার আগমনের প্রতিশ্রুতি সব ধর্মের শিক্ষায় দেখা যায়, যদিও পার্থক্য রয়েছে এই বিশ্বাসে যে, শিয়া মুসলিমদের মতে, মানবজাতির ত্রাণকর্তা বর্তমানে মানুষের মাঝেই বসবাস করছেন, তবে অজানা রূপে-যতক্ষণ না মহান আল্লাহ তাঁকে আত্মপ্রকাশের অনুমতি দেন।
سایر اخبار
-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব- ৬৬
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আবির্ভাব ও শাসনব্যবস্থায় নারীদের ভূমিকা ও অবস্থান | শেষ পর্ব
ইতিহাস এমন সব নারীর উপস্থিতির সাক্ষ্য বহন করে, যাদের হৃদয় ঈমান ও আল্লাহ্র পরিচয়ের আলোয় পরিশুদ্ধ ও দীপ্তিমান হয়েছিল। এই ঈমান ও মারিফাতের বরকতেই তারা আল্লাহ্র সর্বশেষ মনোনীত প্রতিনিধি, শেষ যুগের ঐশী হুজ্জতের সহচর এবং ‘রজআত’কারীদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন কিংবা করবেন।
-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব- ৬৫
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)’র আবির্ভাব ও শাসনব্যবস্থায় নারীদের ভূমিকা ও অবস্থান | পর্ব- ২
ইসলামি সমাজে নারীর ভূমিকা এবং ঐশী লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নের প্রসঙ্গে, কুরআন মাজিদে নারীদের জন্য কিছু সাধারণ দায়িত্ব যেমন—আল্লাহভীতি (তাকওয়া), সৎকাজের আদেশ, অসৎকাজের নিষেধ, পবিত্রতা ও নৈতিকতা রক্ষা ইত্যাদি উল্লেখ করা হয়েছে। তবে যে বিষয়টি উপেক্ষা করা উচিত নয়, তা হলো—ঐশী লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথে নারীদের একটি বিশেষ ও অনন্য ভূমিকা রয়েছে।
-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব- ৬৪
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আবির্ভাব ও শাসনব্যবস্থায় নারীদের ভূমিকা ও অবস্থান (প্রথম পর্ব)
নারীরাও সমাজের পুরুষদের মতোই আল্লাহর নির্ধারিত লক্ষ্য বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া ঐশী প্রতিশ্রুতির পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। এ কারণেই মহান আল্লাহ নারী ও পুরুষ উভয়কেই আধ্যাত্মিক ও নৈতিক মূল্যবোধে সজ্জিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। কারণ, কেবল সৎ ও যোগ্য মানুষ এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজই পৃথিবীর প্রকৃত উত্তরাধিকারী হতে পারে।
-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব– ৬৩
পশ্চিমা বিশ্ব ও মাহদাভিয়াত (শেষ পর্ব)
ইসলামের প্রতিশ্রুত শেষযুগের ত্রাণকর্তাকে বিশ্ববাসীর সামনে সহিংস ও ভীতিকর চরিত্র হিসেবে উপস্থাপন করা—এটি পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন চলচ্চিত্র, বই, উপন্যাস, ভিডিও গেম, সংগীত ও বক্তৃতায় একটি অভিন্ন প্রবণতা হিসেবে দেখা যায়। অথচ মুসলিম বিশ্বাস অনুযায়ী, পবিত্র কোরআনের বহু আয়াতে মহান আল্লাহ মানবজাতির সেই প্রতিশ্রুত ত্রাণকর্তার আবির্ভাব, ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠা এবং জুলুম-অত্যাচার ও দুর্নীতির অবসানের সুসংবাদ দিয়েছেন। আর আল্লাহ কখনোই তাঁর অঙ্গীকার ভঙ্গ করেন না।
-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব– ৬২
পশ্চিমা বিশ্ব ও মাহদাভিয়াত (খন্ড–২)
মিডিয়া আধুনিক বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মাধ্যমগুলোর একটি। এটি কেবল মানুষের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে না, বরং মানুষের সংস্কৃতি, সামাজিক মূল্যবোধ, মানদণ্ড এবং আচরণ নির্ধারণের ভিত্তিগুলোকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব– ৬১
পশ্চিমা বিশ্ব ও মাহদাভিয়াত (পর্ব–১)
ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত “একজন মুক্তিদাতার আগমন” ধারণার কারণে, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও জুলুমের অবসান—এ ধরনের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিল রেখে বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষ নিজ নিজ বিশ্বাস অনুযায়ী একজন ত্রাণকর্তার আগমনের প্রতি সবসময়ই আগ্রহী হয়ে থাকে। নিঃসন্দেহে এই আগ্রহের মাত্রা বিভিন্ন কারণের ওপর নির্ভরশীল। এর মধ্যে গণমাধ্যম (মিডিয়া) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা মানুষের এই আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশা গঠনে গভীর প্রভাব ফেলে।
-
একটি আদর্শ সমাজের দিকে— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব- ৬০
ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ভ্রান্তধারার পরিণতি ও তা মোকাবেলার উপায়
ধর্মীয় শিক্ষার বিরুদ্ধে অসংখ্য শত্রুতা ও ষড়যন্ত্র থাকা সত্ত্বেও মাহদাভিয়াতের প্রতি মানুষের আগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বুদ্ধিবৃত্তিক ও আবেগীয় উভয় ক্ষেত্রেই এ বিষয়ে মানুষের প্রয়োজনবোধ ক্রমাগত বাড়ছে। নিঃসন্দেহে এটি অত্যন্ত সৌভাগ্যের বিষয়। তবে এর পাশাপাশি কিছু ভ্রান্ত ও বিভ্রান্তধারাও আত্মপ্রকাশ করছে, যা কিছু সময়ের জন্য সরলমনা বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মানুষকে প্রভাবিত করছে।
-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব- ৫৯
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)’র মিথ্যা প্রতিনিধিত্বের দাবি
নিঃসন্দেহে, যে বিশ্বাস সত্যের যত বেশি নিকটবর্তী এবং মানুষের হৃদয়ে যত গভীরভাবে স্থান করে নেয়, স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী তত বেশি সেটিকে অপব্যবহারের চেষ্টা করে। মাহদাভিয়াতের শিক্ষা তার অনন্য বৈশিষ্ট্য, গভীর আকর্ষণ এবং মানুষের অন্তরে সুদৃঢ় প্রভাব বিস্তারের কারণে যুগে যুগে অসৎ ও পথভ্রষ্ট লোকদের অপব্যবহারের শিকার হয়েছে।
-
একটি আদর্শ সমাজের দিকে— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব- ৫৮
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আবির্ভাব-পূর্ব আন্দোলনসমূহ
কিছু মানুষ কিছু বিচ্ছিন্ন রেওয়ায়েত ও তার বাহ্যিক অর্থের ভিত্তিতে ধারণা করেছেন যে, ইমাম যামান মুহাম্মাদ আল মাহদী (আ.ফা.)’র আবির্ভাবের পূর্বে জালিম শাসকদের বিরুদ্ধে যেকোনো আন্দোলন ও প্রতিরোধ নিষিদ্ধ। এ কারণেই তারা ন্যায়বিচার ও ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বানকেও “তাগুতী আন্দোলন” বলে আখ্যায়িত করে থাকে।
-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-বিষয়ক ধারাবাহিক আলোচনা | পর্ব- ৫৭
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর তাওকী‘আত তথা লিখিত নির্দেশনাবলি
আকীদাগত প্রশ্নের সমাধান, সংশয় নিরসন এবং দ্বীনি দিকনির্দেশনা প্রদানের ক্ষেত্রে ইমাম মাহদী (আজ্জাল্লাহু তাআলা ফারাজাহুশ শরীফ)-এর তাওকী‘আত বা লিখিত নির্দেশনাবলি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে প্রেরিত এসব পত্র ও উত্তর শিয়াদের জন্য হিদায়াত ও নির্দেশনার গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচিত।
-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব ৫৬
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-কে চেনার উপায়
মহান আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদত ও আনুগত্যের জন্য। আর প্রকৃত ইবাদতের ভিত্তি হলো আল্লাহর সঠিক পরিচয় ও মারিফাত অর্জন। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এবং তাঁর মনোনীত উত্তরসূরিদের (আ.) পরিচয় লাভের মাধ্যমে এই মারিফাতের পরিপূর্ণতা লাভ হয়। বিশেষ করে, যুগের ইমাম ও আল্লাহর সর্বশেষ হুজ্জাত, ইমাম মাহদী (আজ্জাল্লাহু তাআলা ফারাজাহুশ শরীফ)-কে চেনা প্রত্যেক মুমিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব- ৫৫
মাহদাভিয়াত বিষয়ে সুন্নি ও শিয়া মাজহাবের সাধারণ ঐক্যমত
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত ও শিয়া উভয় সম্প্রদায়ই বহু হাদিসে “মাহদাভিয়াত” বা হযরত ইমাম মাহদী (আ.ফা.)–এর আবির্ভাব সম্পর্কিত আকীদাকে স্বীকার করেছে। যদিও কিছু ক্ষেত্রে ব্যাখ্যাগত পার্থক্য বিদ্যমান, তবে মৌলিক বহু বিষয়ে উভয় মতের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঐক্য রয়েছে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব- ৫৪
আহলুস সুন্নাহর উৎসসমূহে মাহদাভিয়াত
মাহদাভিয়াতের বিশ্বাস এবং ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর বিশ্বব্যাপী ন্যায়ভিত্তিক আন্দোলনের প্রত্যাশা ইসলামী আকীদার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক অধ্যায়। কিছু মানুষের ধারণার বিপরীতে, এ বিশ্বাস কেবল শিয়া মাযহাবের একান্ত নিজস্ব বিষয় নয়; বরং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুস্পষ্ট ভবিষ্যদ্বাণী ও সুসংবাদের ভিত্তিতে ইসলামী উম্মাহর বিভিন্ন মাযহাব ও চিন্তাধারার মধ্যে সুপ্রতিষ্ঠিত একটি বিশ্বাস।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব ৫৩
পবিত্র কুরআনে মাহদাভিয়াত (৫ম ও শেষ খন্ড)
কুরআনের আয়াতসমূহে কখনো বাহ্যিক (জাহির) ও অভ্যন্তরীণ (বাতেন) উভয় ধরনের অর্থ বিদ্যমান থাকে। এই গভীর অর্থের জ্ঞান কেবল নবী মুহাম্মদ (সা.), ইমামগণ (আ.) এবং আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন, তারাই লাভ করেন।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব ৫২
পবিত্র কুরআনে মাহদাভিয়াত (চতুর্থ খন্ড)
আল্লাহ তাআলা পৃথিবীতে নির্বাচিত মুমিন ও সৎকর্মপরায়ণদের জন্য শাসন প্রতিষ্ঠা, দ্বীনের বিজয় ও পূর্ণ নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন; তবে এই গোষ্ঠী কারা—এ নিয়ে তাফসিরবিদদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব ৫১
পবিত্র কুরআনে মাহদাভিয়াত (তৃতীয় পর্ব)
পবিত্র কুরআনের কিছু আয়াত ইঙ্গিত করে যে, শেষপর্যায়ে নিপীড়িতরা (মুস্তায‘আফ) অত্যাচারীদের ওপর বিজয়ী হবে এবং শেষ পর্যন্ত পৃথিবী যোগ্য ও সৎ লোকদের হাতে ন্যস্ত হবে।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা: পর্ব ৫০
পবিত্র কুরআনে মাহদাভিয়াত (দ্বিতীয় খন্ড)
শুধুমাত্র ‘মুস্তায‘আফ’ (নিপীড়িত বা দুর্বল অবস্থায় থাকা) হওয়াই শত্রুর ওপর বিজয় ও পৃথিবীতে শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যথেষ্ট নয়; বরং এর সঙ্গে দৃঢ় ঈমান ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন অপরিহার্য। পৃথিবীর নিপীড়িত জনগোষ্ঠী যতদিন পর্যন্ত এই দুই মূলনীতিকে বাস্তবে প্রতিষ্ঠিত না করবে, ততদিন তারা পৃথিবীর শাসনভার লাভ করতে পারবে না।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৯
পবিত্র কুরআনে মাহদাভিয়াত (প্রথম খন্ড)
পবিত্র কুরআন মাজীদে ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর আবির্ভাব ও কিয়াম সম্পর্কে সামগ্রিকভাবে আলোচনা করা হয়েছে এবং বিশ্বব্যাপী ন্যায়ভিত্তিক শাসন প্রতিষ্ঠা ও সৎকর্মপরায়ণদের বিজয়ের সুসংবাদ প্রদান করা হয়েছে। শিয়া মুফাসসিরগণ এবং আহলে সুন্নতের কিছু মুফাসসির—আহলে বাইত (আ.)-এর রেওয়াত ও ইসলামী চিন্তাবিদদের মতামতের ভিত্তিতে—এ ধরনের আয়াতসমূহকে ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে বিবেচনা করেছেন।
-
‘একটি আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা — পর্ব ৪৮
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর জন্য প্রতীক্ষাকারীদের বিশেষ দায়িত্ব ও কর্তব্য
বর্তমান সময়ে এমন মানুষের অভাব নেই, যারা বিভিন্ন কারণে গায়েব বা দৃষ্টির আড়ালে থাকা ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর প্রতি বিশ্বাস ও তাঁর স্মরণকে সহ্য করতে পারে না এবং এ পথে নানাবিধ অপচেষ্টা চালায়। অথচ ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো—বিপদ ও দুর্দশার সময় ধৈর্য ধারণ করা। তাই এই যুগে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আমাদের উচিত এসব কষ্ট ও প্রতিকূলতার মুখে আরও বেশি ধৈর্যশীল থাকা।
-
‘আদর্শ সমাজের দিকে’— ইমাম মাহদী (আ.ফা.) সম্পর্কিত ধারাবাহিক আলোচনা— পর্ব ৪৭
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর প্রতীক্ষাকারীদের সাধারণ দায়িত্ব ও কর্তব্য
ইমাম মাহদী (আ.ফা.)-এর প্রতীক্ষাকারীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য কেবল গায়বাতের যুগের জন্য বিশেষ নয়; বরং অনেক ক্ষেত্রে এগুলো উল্লেখ করা হয়েছে মূলত গুরুত্ব আরোপের উদ্দেশ্যে। অর্থাৎ এসব দায়িত্ব সব সময়ের জন্য প্রযোজ্য হলেও গায়েবতের যুগে এর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।